📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টেনেসি: ২০০ বছরের প্রথম নারী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, শিশুকালের ধর্ষণ অভিযোগের বাইরে রাখা হয়

টেনেসি: ২০০ বছরের প্রথম নারী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, শিশুকালের ধর্ষণ অভিযোগের বাইরে রাখা হয়

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট টেনেসি রাজ্যের ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অনুমতি দিয়েছে। তিনি ১৯৯৫ সালে ১৮ বছর বয়সে সাক্ষীদর্শীকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন। পাইকের আইনজীবীরা তার শিশুকালের ধর্ষণ ও মানসিক রোগের অভিযোগের বিচার না হওয়াকে সমালোচনা করেছেন

আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট টেনেসি রাজ্যের ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অনুমতি দিয়েছে, যা ২০০ বছরেরও বেশি সময় পর রাজ্যের প্রথম নারী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। পাইককে ১৯৯৫ সালে ১৮ বছর বয়সে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে এক সাক্ষীদর্শীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে তার আইনজীবীরা দাবি করেছেন, তার শিশুকালের ধর্ষণ ও মানসিক রোগের অভিযোগ বিচারের বাইরে রাখা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টেনেসি রাজ্য ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইককে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অনুমতি পেয়েছে, যা ২০০ বছরেরও বেশি সময় পর রাজ্যের প্রথম নারী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে।
  • 📌 সুপ্রিম কোর্টের ৬ষ্ঠ সার্কিট আপিল কোর্ট ২-১ ভোটে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার আদেশ দিয়েছিল, কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের সংরক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠতা তা প্রত্যাহার করে নেয়।
  • 📌 পাইকের মার্টিনেজ পরিবার (সাক্ষীদর্শীর মা) মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন, বলেছেন, “আমি দশক ধরে এই দিনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম।”
  • 📌 পাইকের বয়ফ্রেন্ড তাদারাইল শিপ (১৭ বছর বয়সে) জীবান্বিত কারাদণ্ড পেয়েছিলেন, কিন্তু পাইক একমাত্র মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন।
  • 📌 পাইকের আইনজীবীরা বলেছেন, “২১ শতাব্দীতে একজন শিশুকালের ধর্ষণ ও মানসিক রোগের শিকারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া অসম্ভব।”

📰 বিস্তারিত

টেনেসির রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউশনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া ছিল, যখন ৬ষ্ঠ সার্কিট আপিল কোর্ট ২-১ ভোটে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার আদেশ দিয়েছিল। তবে সুপ্রিম কোর্টের সংরক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠতা স্থগিত আদেশ প্রত্যাহার করে দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সোনিয়া সোটোমায়োর জাস্টিসের বিরোধী মতামতে বলেছেন, “এই আদেশ ৬ষ্ঠ সার্কিট কোর্টের বিচারের প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছে এবং পাইকের অভিযোগের বিচারকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিলম্বিত করেছে।”

পাইক ও তার বয়ফ্রেন্ড তাদারাইল শিপ ১৯৯৫ সালে কলেন স্লেমার (১৯ বছর বয়সী)কে হত্যা করেছিলেন। স্লেমার তাদের স্কুলের জব ট্রেনিং সেন্টারে কাজ করতেন। শিপ ১৭ বছর বয়সে জীবান্বিত কারাদণ্ড পেয়েছিলেন, কিন্তু পাইক একমাত্র মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন। পাইকের আইনজীবীরা বলেছেন, তার শিশুকালের ধর্ষণ ও মানসিক রোগের অভিযোগ বিচারের বাইরে রাখা হয়েছে।

পাইক তার ক্লেমেন্সি পিটিশনে বলেছেন, “আমি ১৮ বছর বয়সে একটি ফ্রেনজি আক্রমণে স্লেমারকে হত্যা করেছিলাম। আমি তার বিরুদ্ধে লড়াই করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমি তার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারিনি। আমি তার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারিনি, কারণ আমি মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলাম।” তিনি বলেছেন, “আমি বুঝতে অনেক বছর লেগেছে যে আমি কতটা ভয়াবহ কাজ করেছি। আমি একজন সন্তানের, বোন ও বন্ধুর জীবন নেয়ার জন্য নিজেকে নিরাশ করছি।”

"আমি দশক ধরে এই দিনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। প্রতিবার যখন আমি এই বিষয়ে চিন্তা করি, তখন আমি কলেনের সেই ব্যথা এবং তার চেষ্টা দেখতে পাই যে তিনি কীভাবে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছিলেন।"

মে মার্টিনেজ (স্লেমারের মা) অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেছেন।

টেনেসি রাজ্য ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কোনো নারীকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেনি। তবে ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক রবিন এম মাহার বলেছেন, পুরাতন রেকর্ডের কারণে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টেনেসি রাজ্য, রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউশন, ন্যাশভিল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস্টা পাইক (৫০), মে মার্টিনেজ, সুপ্রিম কোর্টের সোনিয়া সোটোমায়োর, তাদারাইল শিপ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ বছর (২০০ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথম নারী মৃত্যুদণ্ড), ১৮ বছর (পাইকের বয়স হত্যার সময়), ১৭ বছর (শিপের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖