📌 তজুমদ্দিন উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুল গফুরের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ‘টর্চার সেল’ থাকার কথাও দাবি করেছেন। বাবুল ফরাজী ও শামসুল হকসহ দু’জন আহত হবার পর থানায় অভিযোগ দাখিল হয়েছে
তজুমদ্দিন উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা পরিচয়ে আব্দুল গফুরের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ‘টর্চার সেল’ থাকার কথাও দাবি করেছেন। সর্বশেষ বুধবার দুপুরে বাবুল ফরাজীকে মারধর ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার অভিযোগে তিনি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তজুমদ্দিনের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুল গফুরের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ‘টর্চার সেল’ থাকার কথা দাবি করেছেন।
- 📌 বাবুল ফরাজীকে বুধবার দুপুরে মারধর ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার অভিযোগে তার স্ত্রী জোসনা বেগম তজুমদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। বাবুল বর্তমানে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
- 📌 মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শামসুল হককেও মারধর ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার অভিযোগে তিনি থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন।
- 📌 নুর হোসেন মাঝির বিরুদ্ধে আগে মামলা করা হয়েছিল, কিন্তু জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আব্দুল গফুর আবারও নির্যাতন চালানোর অভিযোগ স্থানীয়রা করেছেন।
- 📌 তজুমদ্দিন থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেছেন, বাবুল ফরাজী ও শামসুল হকের দুটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগগুলো তদন্ত করা হবে।
📰 বিস্তারিত
তজুমদ্দিন উপজেলার মুচিবাড়ির কোনা এলাকায় আব্দুল গফুরের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ‘টর্চার সেল’ থাকার অভিযোগ স্থানীয়দের। সর্বশেষ বুধবার দুপুরে শম্ভুপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোলকপুর এলাকার বাসিন্দা বাবুল ফরাজীকে মারধর ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আহত বাবুল বর্তমানে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
আব্দুল গফুর ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পর বাবুলের ছেলে রায়হান জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে তজুমদ্দিন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবুলকে উদ্ধার করে। পরে স্বজনরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় বাবুলের স্ত্রী জোসনা বেগম থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এ ঘটনার আগের দিন মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় স্থানীয় শামসুল হককেও মারধর ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার অভিযোগ ওঠে আব্দুল গফুরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শামসুল হকও তজুমদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক মাস আগে ছোট ডাওরী এলাকায় নুর হোসেন মাঝির মুদি দোকানে ঢুকে তাকে ও তার ছেলেকে রড দিয়ে মারধর করেন আব্দুল গফুর। পরে নুর হোসেন মাঝির পক্ষ থেকে মামলা করা হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আবারও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান, রায়হান, আব্দুর রব ও শরীফসহ কয়েকজন বলেছেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ কারও নেই। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুল গফুর। তার দাবি, নুরউদ্দিন, বাবুল, শামসুল হক ও রায়হানসহ কয়েকজন তাকে মারধরের উদ্দেশ্যে লাঠিসোঁটা নিয়ে মুচিবাড়ির কোনা বাজারে আসেন। এ সময় তিনি ও তার পক্ষের লোকজন তাদের ধাওয়া দেন। তিনি নিজেও হামলার শিকার হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন।
"আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ কারও নেই। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তজুমদ্দিন উপজেলা, মুচিবাড়ি কোনা এলাকা, শম্ভুপুর ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ড গোলকপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল গফুর, বাবুল ফরাজী, শামসুল হক, নুর হোসেন মাঝি, মিজানুর রহমান (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ নম্বর ওয়ার্ড, ৯৯৯ (জরুরি সেবা), ২২ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!