📌 টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে যৌননিগ্রহের দায়ে ৬ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বিচারক আনম ইলিয়াসের রায় অনুযায়ী, আসামিদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে যৌননিগ্রহের দায়ে ৬ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আনম ইলিয়াসের রায়ে এই সাজা প্রদান করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৬ জন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড** — দেলদুয়ারে সংঘবদ্ধ যৌননিগ্রহের দায়ে আদালতের রায় অনুযায়ী
- 📌 **প্রত্যেক আসামিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা** — অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ
- 📌 **ভুক্তভোগী গৃহবধূ (২৩)** — ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর মাদারজানি যাওয়ার পথে জোরপূর্বক আক্রমণ করা হয়
- 📌 **৫০ হাজার টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া** — আসামিরা ভুক্তভোগীর পার্স থেকে অর্থ ও ফোন নেয়
- 📌 **৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ উদ্ধার** — জাতীয় জরুরি পরিসেবা থেকে সহায়তা পেয়ে ভুক্তভোগী বাঁচেন
📰 বিস্তারিত
টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আনম ইলিয়াসের রায়ে দেলদুয়ার উপজেলার ৬ জন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ে প্রত্যেক আসামিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণের পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯ (৩) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় ঘোষণা করা হয়।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভুক্তভোগী গৃহবধূ দেলদুয়ার থানার আটিয়া গ্রামে তার ফুফু শিউলী বেগমের বাড়িতে বেড়াতে যান। ওইদিন রাতে মাদারজানি যাওয়ার পথে আসামিরা জোরপূর্বক তাকে মোহন টেক্সটাইল মিলের অফিস রুমে নিয়ে যায়। এরপর সংঘবদ্ধভাবে পালাক্রমে তার ওপর যৌননিগ্রহ চালায় এবং তার মোবাইলফোন ও পার্স থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে দেলদুয়ার থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আজিজুল হক হাওলাদার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমরাও খান দিপু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা মূলে আসামিদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
"দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯ (৩) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দেলদুয়ার, টাঙ্গাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক আনম ইলিয়াস, ভুক্তভোগী গৃহবধূ (২৩), সরকারি কৌঁসুলি ওমরাও খান দিপু, পরিদর্শক আজিজুল হক হাওলাদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন আসামি, ২৩ বছর ভুক্তভোগী, ১ লাখ টাকা জরিমানা, ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা চুরি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!