📌 টাঙ্গাইল জেলার খান পরিবারের সদস্য সানিয়াত খান (বাপ্পা) প্রথমবারের মতো মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন। আদালতের রায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। খান পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে হত্যা, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মামলা ছিল
টাঙ্গাইল জেলার রাজনীতিতে চার দশক ধরে নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্য বিখ্যাত খান পরিবারের সদস্য সানিয়াত খান (বাপ্পা) প্রথমবারের মতো মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন। গতকাল সোমবার টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আতাউর রহমান খানের ছেলে এই সাজা পেয়েছেন। আদালতের রায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে সব আসামি পলাতক অবস্থায় রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টাঙ্গাইল সদরের দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম ওরফে ফারুককে হত্যার মামলায় সানিয়াত খান (বাপ্পা) মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন।
- 📌 আদালতের রায়ে বাপ্পাসহ মোট তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামি হলেন মো. আজাদ ও মো. শাজাহান মিয়া।
- 📌 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে সবাই পলাতক অবস্থায় রয়েছেন।
- 📌 খান পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে হত্যা, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অস্ত্রবাজির মামলা ছিল।
- 📌 খান পরিবারের সদস্যরা টাঙ্গাইল জেলার রাজনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ঠিকাদারিতে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করতেন।
📰 বিস্তারিত
টাঙ্গাইল জেলার রাজনীতিতে খান পরিবারের প্রভাব চার দশক ধরে বিরাজ করছিল। এই পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় হত্যা, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অস্ত্রবাজির অভিযোগে মামলায় জড়িত ছিলেন। তবে এ পর্যন্ত কারও সাজা হয়নি। গতকাল টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন রফিকুল ইসলাম ওরফে ফারুক হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে বাপ্পা (সানিয়াত খান) সহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছে মো. আজাদ ও মো. শাজাহান মিয়া। তবে সব আসামি পলাতক অবস্থায় রয়েছেন। বাপ্পা টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক এমপি আতাউর রহমান খানের ছেলে। তার বড় ভাই আমানুর রহমান খান (রানা)ও একই আসনের সাবেক এমপি ছিলেন।
খান পরিবারের সদস্যরা টাঙ্গাইল জেলার রাজনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ঠিকাদারিতে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করতেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় হত্যা, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অস্ত্রবাজির অভিযোগে একাধিক মামলা হয়েছিল। আমানুর রহমানের বিরুদ্ধে অন্তত পাঁচটি হত্যা মামলাসহ অর্ধশতাধিক মামলা হয়েছিল। সহিদুর রহমানের বিরুদ্ধেও পাঁচটি হত্যা মামলাসহ প্রায় ৪০টি মামলা হয়েছিল। জাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে তিনটি হত্যা মামলা এবং সানিয়াতের বিরুদ্ধে চারটি হত্যা মামলাসহ ডজন খানেক মামলা হয়েছিল।
"আমরা এই রায়ের দ্রুত বাস্তবায়ন চাই।"
ফারুক হত্যা মামলার বাদী লাভলু মিয়া বলেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী একেএম শামীমুল আক্তার বলেন, “বিজ্ঞ আদালত আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আদেশ দিয়েছেন।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টাঙ্গাইল সদর, দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদ, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সানিয়াত খান (বাপ্পা), রফিকুল ইসলাম ওরফে ফারুক, আতাউর রহমান খান, আমানুর রহমান খান (রানা), জাহিদুর রহমান খান, লাভলু মিয়া, একেএম শামীমুল আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন মৃত্যুদণ্ড, ৪ জন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা, ৪০+ মামলা (সহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে), ৫+ হত্যা মামলা (আমানুর রহমানের বিরুদ্ধে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!