📌 সিলেটের জাফলং সীমান্তে বিয়ে চার মাস পর স্ত্রীকে ভারতে পাচারের চেষ্টায় স্বামীসহ চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গৃহবধূকে রিসোর্ট থেকে উদ্ধার করা হয় এবং মানব পাচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয়রা চক্রের মূল হোতাদের ধরতে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন
সিলেটের জাফলং সীমান্তে বিয়ে চার মাস পর স্ত্রীকে ভারতে পাচারের চক্রে স্বামীসহ চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গত সোমবার রাতে জাফলংয়ের একটি রিসোর্ট থেকে গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয় এবং মানব পাচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, পর্যটনকেন্দ্র জাফলংকে মানব পাচারকারীরা ব্যবহার করছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৬ বছর বয়সী সিলেটের গৃহবধূকে বিয়ে চার মাস পর স্বামীসহ চারজন পাচার করার চেষ্টায় গ্রেপ্তার করা হয়
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন: আশিকুর রহমান (স্বামী), জহিরুল ইসলাম, কাওছার এবং সাগর মিয়া — সবাই ময়মনসিংহের বাসিন্দা
- 📌 পুলিশ জানায়, জাফলং রিসোর্টে অবস্থানকালে পাচারকারীরা ভারতে পাচারের জন্য বিভিন্ন যোগাযোগ করছিলেন
- 📌 গোয়াইনঘাট থানায় মানব পাচার আইনে মামলা দায়ের করে গৃহবধূ বাদী হয়ে উঠেছেন
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত চারজনকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং সীমান্তে মানব পাচারের একটি চক্রের ধরা পড়েছে পুলিশের। গত সোমবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি রিসোর্ট থেকে ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূকে উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, বিয়ের চার মাস পর স্বামীসহ চারজন পাচার করার চেষ্টা করছিলেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার আওলাতলী গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে আশিকুর রহমান (স্বামী), নিশ্চাম গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম, পালগাঁও গ্রামের মোনছের আলীর ছেলে কাওছার এবং গোবুদিয়া গ্রামের আবদুল করিমের ছেলে সাগর মিয়া।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জাফলংয়ে পৌঁছার পর স্বামীসহ চারজন পাচারকারীরা গৃহবধূকে ভারতে পাচার করতে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করছিলেন। পরে গৃহবধূ বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশকে অবহিত করেন। অভিযান চালিয়ে পুলিশ গৃহবধূকে উদ্ধার করে এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করেন। গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, বিয়ের পর জাফলংয়ে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে স্বামী আরও তিন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন। তাঁরা পেশায় গাড়িচালক।
ওসি ওমর ফারুক বলেন, “জাফলংয়ে আসার পর চারজন মিলে ওই গৃহবধূকে ভারতে পাচার করতে বিভিন্ন জনের সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন। পরে অভিযান চালিয়ে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়েছে। সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে মানব পাচারের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে মাঝেমধ্যে কয়েকজন আটক হলেও চক্রের মূল হোতারা অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। জাফলং পর্যটনকেন্দ্র হওয়ায় বিভিন্ন হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টকে মানব পাচারকারীরা ব্যবহার করছে।”
"ওই নারীকে প্রায় চার মাস আগে বিয়ে করেছিলেন আশিকুর রহমান। বিয়ের পর জাফলংয়ে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে আরও তিন বন্ধুকে সঙ্গে করে এনেছিলেন আশিকুর। তাঁরা পেশায় গাড়িচালক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাফলং সীমান্ত, সিলেট (রিসোর্ট থেকে উদ্ধার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ (বাদী), আশিকুর রহমান (স্বামী, আসামি), ওসি ওমর ফারুক (গোয়াইনঘাট থানা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন গ্রেপ্তার, ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!