📌 সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে বিআরটিসির বাস ইজারা দেওয়া বন্ধের দাবিতে আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়ের করেছেন। আইনজীবী ১৫ সেপ্টেম্বর আইনি নোটিশ দিয়েছিলেন, কিন্তু কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় রিট করেন
সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে বিআরটিসির বাস ইজারা দেওয়া বন্ধের দাবিতে আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়ের করেছেন। এই রিটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন আইন, ২০২০-এর ৫ ও ২২ নম্বর ধারা অনুযায়ী বিআরটিসির বাসগুলো জনস্বার্থে সাধারণ যাত্রীদের গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত। কিন্তু আইনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করে বিআরটিসির বাসগুলোকে সরকারি প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতের জন্য ইজারা দেওয়া হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান ২৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে বিআরটিসি বাস ইজারা বন্ধের দাবিতে রিট দায়ের করেন
- 📌 ১৫ সেপ্টেম্বর আইনি নোটিশ দিলেও কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় রিট করা হয়
- 📌 বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন আইন, ২০২০-এর ৫ ও ২২ নম্বর ধারা অনুযায়ী বাসগুলো জনস্বার্থে গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত
- 📌 সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোতে বিআরটিসির বাস ইজারা দেওয়া আইনের তোয়াক্কা লঙ্ঘন
📰 বিস্তারিত
সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে বিআরটিসির বাস ইজারা দেওয়া বন্ধের দাবিতে আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়ের করেছেন। তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর বিষয়টি নিয়ে আইনি নোটিশ দিয়েছিলেন, কিন্তু কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় রিট করেন। রিটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন আইন, ২০২০-এর ৫ ও ২২ নম্বর ধারা অনুযায়ী বিআরটিসির বাসগুলো জনস্বার্থে সাধারণ যাত্রীদের গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত।
তবে আইনের এ নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে বিআরটিসির বাসগুলোকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতে ইজারা দেওয়া হচ্ছে। আইনজীবী রিটে উল্লেখ করেছেন যে, এ ধরনের ইজারা বাসগুলোকে জনস্বার্থে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত আইনের তোয়াক্কা লঙ্ঘন করে।
রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিআরটিসির বাসগুলোকে সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে ইজারা দেওয়া হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ এখতিয়ারবহির্ভূত। আইনজীবী দাবি করেছেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে বিআরটিসির বাস ইজারা দেওয়া বন্ধ করা উচিত।
"বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন আইন, ২০২০-এর ৫ ও ২২ নম্বর ধারা অনুযায়ী বিআরটিসির বাসগুলো জনস্বার্থে সাধারণ যাত্রীদের গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত। কিন্তু আইনের এ নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে বিআরটিসির বাসগুলোকে সরকারি প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতে ইজারা দেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ ও ২২ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন আইন, ২০২০-এর ধারা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!