📌 সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের আহ্বান জানান যে, বিচারপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম বা দুর্নীতি দেখা গেলে তা বস্তুনিষ্ঠভাবে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। তিনি বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ইতিবাচক দিকগুলোও তুলে ধরতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যে, বিচারপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম বা দুর্নীতি দেখা গেলে তা বস্তুনিষ্ঠভাবে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফ) দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাংবাদিকদের আহ্বান: বিচারপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-দুর্নীতি দেখা গেলে তা বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করতে হবে
- 📌 অ্যাটর্নি জেনারেলের উদাহরণ: একই বিষয়ে তিনটি আদালতে পিটিশন করার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটিকে পেশাগত অসদাচরণ হিসেবে দেখেছেন
- 📌 ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ইতিবাচক দিক: প্রধান বিচারপতির কর্মতৎপরতায় হাজার হাজার মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে, এসবও সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরতে হবে
- 📌 অনুষ্ঠানের আয়োজন: সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে থেকে র্যালি বের হয়, পরে কেক কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়
📰 বিস্তারিত
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। তাদের সুখ-দুঃখ ও পেশাগত চ্যালেঞ্জগুলো আমি কিছুটা হলেও বোঝেন।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় বা প্রশাসনের কোথাও অনিয়ম-অনাচার কিংবা দুর্নীতি সাংবাদিকদের নজরে এলে তা বস্তুনিষ্ঠভাবে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে।’
একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে একই বিষয়ে তিনটি আদালতে পিটিশন করার ঘটনা আমার নজরে এসেছে। এর আগে একটি বেঞ্চ স্থগিতাদেশ দেওয়ার পর তা প্রত্যাহারও করেছিল। এরপরও তৃতীয় আদেশ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট আদালতের নজরে এনেছেন এবং এটিকে গুরুতর পেশাগত অসদাচরণ হিসেবে দেখেছেন। সংশ্লিষ্ট ফাইলগুলো আদালতে আসার পর পরবর্তী আদেশ দেওয়ার বিষয়ে আদালত অপেক্ষা করছেন বলেও জানান তিনি।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘এ প্রতিষ্ঠান আমাদের রুটি-রুজির জায়গা। অধিকাংশ মানুষই এখানে হালাল রুজি উপার্জন করি। দু-একজনের অনিয়মের কারণে যেন পুরো প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এই জায়গায় সংবাদকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিচারাঙ্গনের অসংগতিগুলো দায়িত্বশীলভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ইতিবাচক দিকগুলোও সংবাদে তুলে ধরা প্রয়োজন।’
অনুষ্ঠানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অতি সম্প্রতি প্রধান বিচারপতির কর্মতৎপরতায় আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে হাজার হাজার মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এসব বিষয়ও সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। শুধু নেতিবাচক সংবাদ নয়, বিচারাঙ্গনে যেসব মানুষের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হচ্ছে, সেসব ঘটনাও প্রচার করতে হবে। আদালত সম্পর্কে যেন কোনো ভুল বার্তা না যায়। মানুষ সঠিক তথ্য জানুক— এটাই আমাদের প্রত্যাশা,’ বলেন তিনি।
"সুপ্রিম কোর্টে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। তাদের সুখ-দুঃখ ও পেশাগত চ্যালেঞ্জগুলো আমি কিছুটা হলেও বোঝেন। সুপ্রিম কোর্ট, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় বা প্রশাসনের কোথাও অনিয়ম-অনাচার কিংবা দুর্নীতি সাংবাদিকদের নজরে এলে তা বস্তুনিষ্ঠভাবে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর (অনুষ্ঠান তারিখ), ১২ টা (র্যালির সময়), ১ টা (কেক কাটার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!