📌 গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বিস্ফোরণ মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের বয়স, গ্রেপ্তার সময় ও চিকিৎসা নথিতে অসঙ্গতি পাওয়ায় আদালত ওসি ও তদন্তকারী এসআইকে ব্যাখ্যা দিতে আদেশ দিয়েছে। আসামিদের দাবি অনুযায়ী তাদের বয়স ও শারীরিক অবস্থা নথিতে যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়নি
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বিস্ফোরণ মামলায় গ্রেপ্তার করা তিন আসামির বয়স, গ্রেপ্তার সময় ও চিকিৎসা নথিতে অসঙ্গতি ও ত্রুটি পাওয়ায় আদালত সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ ও তদন্তকারী এসআই মো. মিজানুর রহমানকে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছে। বিচারক পাঁপড়ি বড়ুয়া মামলার নথি পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আদালত নথিতে আসামিদের বয়স, গ্রেপ্তার সময় ও চিকিৎসা তথ্য ত্রুটিপূর্ণ বলে মনে করে ওসি ও এসআইকে ব্যাখ্যা দিতে আদেশ দিয়েছে
- 📌 আসামি সুলতান আহম্মেদ (৬৫) দাবি করেছেন, তাঁর বয়স ৭২ বছরের বেশি এবং তিনি লিভার ও ডায়াবেটিসসহ রোগে আক্রান্ত
- 📌 আসামি লিটন মিয়া (৩৯) দাবি করেছেন, তাঁকে দুপুর সাড়ে ১২টায় গ্রেপ্তার করা হলেও পুলিশের নথিতে বেলা সাড়ে ৩টার সময় উল্লেখ করা হয়েছে
- 📌 তদন্তকারী এসআই মিজানুর রহমানের দায়িত্ব পালন সম্পর্কে আদালত প্রশ্ন তুলেছে
- 📌 গত ২০ সেপ্টেম্বর সুন্দরগঞ্জে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় পুলিশ ২৫-৩০ জনকে আসামি করে মামলা করে
📰 বিস্তারিত
সুন্দরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক পাঁপড়ি বড়ুয়া জানান, মামলার নথিতে আসামিদের বয়স, গ্রেপ্তারের কারণ ও সময় এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। এছাড়াও তদন্তকারী কর্মকর্তার নাম, পদবি, সিল ও স্বাক্ষর ব্যবহারের ক্ষেত্রেও ত্রুটি রয়েছে। বিচারক বলেন, এসব বিষয় যথাযথভাবে যাচাই না করে কেন আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা জানতে ওসি ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আদালতে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামির মধ্যে একজন সুলতান আহম্মেদ (৬৫) আদালতে তাঁর বয়স ৭২ বছরের বেশি বলে দাবি করেন। তিনি লিভার ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত বলেও জানান। অন্যদিকে আসামি লিটন মিয়া (৩৯) দাবি করেন, তাঁকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গ্রেপ্তার করা হলেও পুলিশের ফরোয়ার্ডিংয়ে গ্রেপ্তারের সময় বেলা সাড়ে ৩টা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও, আসামি আনিছুর রহমানের চিকিৎসা-সংক্রান্ত কাগজপত্র দাখিল না করার কারণে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন।
সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ জানান, তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মিজানুর রহমান আদালতে লিখিত জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, ওসি নিজেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব দেবেন।
"নথিতে আসামিদের বয়স, গ্রেপ্তারের কারণ ও সময় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক পাঁপড়ি বড়ুয়া, ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ, এসআই মো. মিজানুর রহমান, আসামি সুলতান আহম্মেদ (৬৫), আসামি লিটন মিয়া (৩৯), আসামি আনিছুর রহমান (৫২)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ (বয়স), ১২:৩০ (গ্রেপ্তার সময়), ৩:৩০ (নথিতে উল্লেখিত সময়), ২০ (সেপ্টেম্বর), ২৫-৩০ (আসামি সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!