📌 সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে বিষ দিয়ে মাছ শিকার করে চার জেলেকে আটক করা হয়। কিন্তু তাদের প্রকৃত পরিচয় ও মামলায় উল্লেখিত নামের মধ্যে মিল না পাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে। কারাগারে পাঠানো নামের সঙ্গে আসামিদের প্রকৃত পরিচয় মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে
সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে বিষ দিয়ে মাছ শিকার করে চার জেলেকে আটক করা হলেও তাদের প্রকৃত পরিচয় ও মামলায় উল্লেখিত নামের মধ্যে অমিল দেখা গেছে। বন বিভাগের মামলায় উল্লেখিত নাম ও পিতার পরিচয় অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে মিল না পাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে। আসামিদের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে ভিন্ন নামে মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুন্দরবনের ভোমরখালী অভয়ারণ্যে বিষ দিয়ে মাছ শিকার করে চার জেলেকে ১৪ অক্টোবর রাতে আটক করা হয়
- 📌 মামলায় উল্লেখিত নাম: আবু বকর (৪২), আছাদুল (৩০), পীর আলী (২৮), কাদের মোল্যা (৫৫); প্রকৃত পরিচয়: আবুল বাসার গাজী (৩৫), হাবিবুল্লাহ হোসেন (৩০), রবিউল ইসলাম (৩৫), হামিদ সানা (৪৫)
- 📌 আসামিদের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার ৫ নম্বর এলাকা; তাদের পিতার নামও ভিন্ন
- 📌 হাবিবুল্লাহ ও আবুল বাসার সুন্দরবন ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতার চাচাতো ভাই; তাদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে বিষ দিয়ে মাছ শিকার ও হরিণ শিকার করা হয় বলে অভিযোগ
- 📌 কারাগারে পাঠানো নামের সঙ্গে আসামিদের প্রকৃত পরিচয় মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে
- 📌 ১৫ অক্টোবর আদালত চার জেলেকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন
📰 বিস্তারিত
সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে বিষ দিয়ে মাছ শিকার করে চার জেলেকে আটক করা হলেও তাদের প্রকৃত পরিচয় ও মামলায় উল্লেখিত নামের মধ্যে অমিল দেখা গেছে। বন বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক চারজনের নাম আবু বকর (৪২), আছাদুল (৩০), পীর আলী (২৮) ও কাদের মোল্যা (৫৫)। তাদের পিতার নাম যথাক্রমে আঃ জলিল, আমিরুল গাজী, নুর সরদার ও মালেক মোল্যা। তবে আসামিদের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে ভিন্ন নামে মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের প্রকৃত নাম হলেন আবুল বাসার গাজী (৩৫), হাবিবুল্লাহ হোসেন (৩০), রবিউল ইসলাম (৩৫) ও হামিদ সানা (৪৫)।
বন বিভাগের দেওয়া আসামিদের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে আসামীদের প্রকৃত পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের সবার বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার ৫ নম্বর এলাকায়। তবে তাদের পিতার নামও ভিন্ন। হাবিবুল্লাহ হোসেনের নামে ২৬২৭০৫০১১৯৮ নম্বর এবং আবুল বাসার গাজীর নামে ২৬২৭০৫০১২১২ নম্বর বোর্ড লাইসেন্স সার্টিফিকেট (বিএলসি) রয়েছে। সুন্দরবনে মাছ ধরার লাইসেন্স দুটি বহাল রাখার উদ্দেশ্যে তারা ভিন্ন নাম ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, হাবিবুল্লাহ ও আবুল বাসার সুন্দরবন ব্যবস্থাপনা কমিটির এক নেতার চাচাতো ভাই। ওই পরিচয়ের প্রভাব কাজে লাগিয়ে তারা সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার ও হরিণ শিকারের সঙ্গে জড়িত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আসামীরা জেলহাজতে থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
১৫ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) কয়রা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সঞ্জয় পাল চার জেলেকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এ বিষয়ে ভোমরখালী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছামাদুল কাদির বলেন, “আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
"আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুন্দরবনের ভোমরখালী অভয়ারণ্য, খুলনার কয়রা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সঞ্জয় পাল (ম্যাজিস্ট্রেট), মো. ছামাদুল কাদির (ওসি), হাবিবুল্লাহ হোসেন, আবুল বাসার গাজী, পীর আলী, কাদের মোল্যা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন জেলে আটক, ৪২, ৩০, ২৮, ৫৫ বছর বয়স, ৫ নম্বর এলাকা, ২৬২৭০৫০১১৯৮ ও ২৬২৭০৫০১২১২ নম্বর বোর্ড লাইসেন্স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!