📌 সুনামগঞ্জ জেলা আদালত জিতেশ চন্দ্র গোপকে নারী হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছে। ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হওয়া শাহনাজ পারভীন জোৎস্নার মরদেহের ৬ টুকরো ফার্মেসিতে উদ্ধার করা হয়েছিল। মামলায় ২০ জন সাক্ষী দিয়েছেন
সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত মৃত্যুদণ্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করে। ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হওয়া শাহনাজ পারভীন জোৎস্নার হত্যার মামলায় আসামি জিতেশ চন্দ্র গোপকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছে আদালত। এছাড়াও ২০১ ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুনামগঞ্জ জেলা আদালত জিতেশ চন্দ্র গোপকে নারী হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে
- 📌 শাহনাজ পারভীন জোৎস্নার মরদেহের ৬ টুকরো ফার্মেসিতে উদ্ধার করা হয়েছিল
- 📌 মামলায় ২০ জন সাক্ষী দিয়েছেন এবং নিহতের ভাই হেলাল আহমদ বাদী ছিলেন
- 📌 বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ রায় দেন এবং রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সোহেল নিশ্চিত করেছেন
- 📌 ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি নারী নিখোঁজ হন এবং পরদিন ফার্মেসিতে মরদেহের টুকরো পাওয়া যায়
📰 বিস্তারিত
সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ আজ মঙ্গলবার দুপুরে রায় দেন। শাহনাজ পারভীন জোৎস্নার হত্যার মামলায় আসামি জিতেশ চন্দ্র গোপকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও, ২০১ ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জোৎস্না নিখোঁজ হন। পরদিন ১৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় একটি ফার্মেসির ভেতর থেকে তাঁর মরদেহের ৬ টুকরো উদ্ধার করে পুলিশ। মামলার এজাহার অনুযায়ী, জগন্নাথপুরের একটি ফার্মেসিতে যাওয়ার পর নারী নিখোঁজ হন। পরে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি করে ওই ফার্মেসিতে গিয়ে তাঁর মরদেহের ৬টি টুকরো দেখতে পান। মামলায় নিহতের ভাই হেলাল আহমদ বাদী হয়ে জিতেশ চন্দ্র গোপসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার দীর্ঘ তদন্তে অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে সোমবার আদালত একমাত্র আসামি জিতেশ চন্দ্র গোপকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সোহেল জানান, মামলায় প্রায় ২০ জন সাক্ষী দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা রায়ে সন্তুষ্ট। আশা করি আদালত দ্রুতই এই রায় কার্যকর করবেন।
"আমরা রায়ে সন্তুষ্ট। আশা করি আদালত দ্রুতই এই রায় কার্যকর করবেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুনামগঞ্জ জেলা ও জগন্নাথপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিতেশ চন্দ্র গোপ, শাহনাজ পারভীন জোৎস্না, হেলাল আহমদ, বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সোহেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ টুকরো মরদেহ, ১ লাখ টাকা জরিমানা, ৭ বছর কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ৬ মাস কারাদণ্ড, ২০ জন সাক্ষী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!