📌 রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৫ অক্টোবর স্থগিত করা হয়েছে। বিচারক বদলির কারণে শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়। মামলায় ৩৯ জন গ্রেপ্তার, ২৪৭ জন পলাতক রয়েছেন
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। বিচারক বদলির কারণে শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়। আজ বুধবার আদালতে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল, কিন্তু বিচারক বদলির কারণে ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ তারিখ পরিবর্তন করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি ১৫ অক্টোবর স্থগিত
- 📌 বিচারক বদলির কারণে শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়, কারাগারে ২১ আসামি ও জামিনপ্রাপ্ত ১৮ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন
- 📌 মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা: শেখ হাসিনা, ড. রাব্বি আলম, কবিরুল ইসলাম, সাবিনা ইয়াসমিন, সৈয়দ রুবিনা আক্তার, সাদ্দাম হোসেন, নুরুন্নবী নিবির প্রমুখ
- 📌 ৩৯ জন গ্রেপ্তার, ২৪৭ জন পলাতক রয়েছেন, তদন্তে জয় বাংলা ব্রিগেডের জুম মিটিংয়ে সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা পাওয়া যায়
- 📌 ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর জয় বাংলা ব্রিগেডের জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনা অন্তর্বর্তী সরকার উৎখাতের নির্দেশ দেন
📰 বিস্তারিত
আজ বুধবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির তারিখ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাম নবী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল, কিন্তু বিচারক বদলির কারণে শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়। কারাগারে থাকা ২১ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয় এবং জামিনপ্রাপ্ত ১৮ জন আসামিও উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন শেখ হাসিনা, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বি আলম, জয়বাংলা বিগ্রেডের সদস্য কবিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, এলাহী নেওয়াজ মাছুম, জাকির হোসেন জিকু, অধ্যাপক তাহেরুজ্জামান, এ কে এম আক্তারুজ্জামান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা সাবিনা ইয়াসমিন, আজিদা পারভীন পাখি, শাহীন, অ্যাডভোকেট এএফএম দিদারুল ইসলাম, মাকসুদুর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ রুবিনা আক্তার, সাবেক সংসদ সদস্য পংকজ নাথ, লায়লা বানু, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, রিতু আক্তার, নুরুন্নবী নিবির, সাবিনা বেগম, শরিফুল ইসলাম রমজান প্রমুখ।
মামলায় ৩৯ জন বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। শেখ হাসিনাসহ ২৪৭ জন পলাতক রয়েছেন। গত বছর ১৪ আগস্ট ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জয় বাংলা ব্রিগেডের জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ওই মিটিংয়ে শেখ হাসিনা তাঁর নেতা-কর্মীদের কাছে দেশবিরোধী বক্তব্য দেন এবং অন্তর্বর্তী সরকার উৎখাতের নির্দেশ দেন। এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
"জয় বাংলা ব্রিগেড’ প্ল্যাটফর্মটি সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে দেশ পরিচালনা করতে না দেওয়ার আলোচনা হয়েছিল। মিটিংয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত করতে গৃহযুদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, যা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের সুস্পষ্ট উপাদান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা, ড. রাব্বি আলম, মোসাদ্দেক মিনহাজ (বিচারক), গোলাম নবী (আদালত সহকারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮৬ জন আসামি, ১৫ অক্টোবর (শুনানি তারিখ), ২১ আসামি (কারাগারে), ১৮ জন জামিনপ্রাপ্ত, ৩৯ জন গ্রেপ্তার, ২৪৭ জন পলাতক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!