📌 সোহেলী তামান্নার হত্যা চেষ্টা মামলায় টাঙ্গাইল-৫ আসনের সাবেক এমপি মো. ছানোয়ার হোসেনকে (৫৫) ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালত আবার গ্রেপ্তার আদেশ দিয়েছে। মামলায় অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আন্দোলনকালে তার ওপর গুলিবর্ষণ করে বাম হাতের কব্জি ও কোমরে গুলি লাগায়
সোহেলী তামান্নার হত্যা চেষ্টা মামলায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি মো. ছানোয়ার হোসেনকে (৫৫) সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আবার গ্রেপ্তার আদেশ দিয়েছে। মামলায় অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকালে আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের ওপর হামলায় তার ওপর গুলিবর্ষণ করে বাম হাতের কব্জিতে গুরুতর আঘাত এবং কোমরে গুলি লাগায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ছানোয়ার হোসেনকে হত্যা চেষ্টা মামলায় আবার গ্রেপ্তার আদেশ দেন।
- 📌 ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক আমিনুর রহমান আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
- 📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে মামলার আসামি নেতৃত্বে ২০০ থেকে ৩০০ জন আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডার আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ করে সোহেলী তামান্নাকে আঘাত করেন।
- 📌 রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ গ্রেপ্তার আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
- 📌 তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, ছানোয়ার হোসেন স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে হামলায় মদদ দিয়েছিলেন।
📰 বিস্তারিত
সোহেলী তামান্না ভাটারা থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে ১ থেকে ৮ নম্বর আসামির নেতৃত্বে ২০০ থেকে ৩০০ জন আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় গুলিবর্ষণ ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ভিক্টিমের বাম হাতের কব্জিতে গুরুতর আঘাত লাগে। একই সঙ্গে তিনি কোমরের পেছনে পিঠে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আদালতে শুনানির সময় আসামির পক্ষে আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ছানোয়ার হোসেনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, মামলার তদন্তকালে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষীদের বক্তব্যে ছানোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ঘটনার সময় স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে হামলায় মদদ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
"আসামির পক্ষে আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করে শুনানি করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত), ভাটারা থানা (টাঙ্গাইল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ছানোয়ার হোসেন (৫৫), সোহেলী তামান্না, ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম, উপ-পরিদর্শক আমিনুর রহমান, আইনজীবী হারুন অর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর (তারিখ), ৫ আগস্ট ২০২৪ (ঘটনার তারিখ), ২০০-৩০০ জন (আন্দোলনকারী), ১-৮ নম্বর (আসামি দল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!