📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরাজগঞ্জ মেডিকেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালককে দুর্নীতির অভিযোগে পদচ্যুত, নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ

সিরাজগঞ্জ মেডিকেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালককে দুর্নীতির অভিযোগে পদচ্যুত, নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আনোয়ার হোসেনকে দুর্নীতির অভিযোগে পদচ্যুত করা হয়েছে। তার স্থলে বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ কাদিরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে হাসপাতালের বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতিতে তার জড়িত থাকা

সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. আনোয়ার হোসেনকে দুর্নীতির অভিযোগে পদচ্যুত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, তার স্থলে বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ কাদিরকে দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখের প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডা. আনোয়ার হোসেনকে দুর্নীতির অভিযোগে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে। ৫ অক্টোবর থেকে তার স্ট্যান্ড রিলিজ হিসেবে গণ্য করা হবে যদি তিনি নির্ধারিত সময়ে যোগদান না করেন।
  • 📌 তার স্থলে বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ কাদিরকে সহকারী পরিচালকের দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে।
  • 📌 অভিযোগ রয়েছে রোগীদের খাবার সরবরাহ, এমএসআর সামগ্রী কেনাকাটা এবং কর্মী নিয়োগে অনিয়মে তার জড়িত থাকা।
  • 📌 ২৫০ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনাকাটায় অনিয়ম এবং ১৬ কোটি টাকার এমআরআই মেশিন ক্রয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আগামী অর্থ প্রদানের অভিযোগে সাবেক পরিচালক ডা. কৃষ্ণকুমার পালের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে।
  • 📌 ডা. আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে ডা. কৃষ্ণকুমার পালের ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ডা. আনোয়ার হোসেনকে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এমনকি তার পাঠানো খুদে বার্তারও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক ডা. এ টি এম নুরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের মধ্যে রয়েছে রোগীদের খাবার ও পথ্য সরবরাহ, মেডিক্যাল সার্জিক্যাল রিকুইজিশন (এমএসআর) সামগ্রী কেনাকাটা এবং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কর্মী নিয়োগে অনিয়ম। বিশেষত, ডা. আনোয়ার হোসেনের দায়িত্বে থাকাকালে হাসপাতালের এমএসআর সামগ্রী কেনাকাটায় পছন্দের ঠিকাদারদের ঘিরে প্রভাবশালী বলয় তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন ক্রয়প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার এবং কমিশন লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।

সাবেক পরিচালক ডা. কৃষ্ণকুমার পালের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, হাসপাতালের প্রায় ২৫০ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়ম এবং এমআরআই মেশিন ক্রয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আগাম ১৬ কোটি টাকা দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তবে ডা. আনোয়ার হোসেনের এই ঘটনায় কতটা জড়িত, তা পৃথকভাবে তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, হাসপাতালের ক্রয়সংক্রান্ত নথি, এমএসআর সামগ্রী কেনার কাগজপত্র, সরবরাহ বিল, ঠিকাদারি কার্যক্রম এবং আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগের নথি পর্যালোচনা করা হলে অভিযোগগুলোর প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে। তারা দাবি করছেন, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সরকারি অর্থ ব্যয়ে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা চিহ্নিত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

"অভিযোগগুলোর প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে হাসপাতালের ক্রয়সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদফতর, ধুনট উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. আনোয়ার হোসেন, ডা. সাজ্জাদ কাদির, ডা. কৃষ্ণকুমার পাল, ডা. এ টি এম নুরুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর, ৫ অক্টোবর, ২৫০ কোটি টাকা, ১৬ কোটি টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖