📌 সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওয়ার্ড বয় করিম সরকার (২৯) একটি ২১ বছর বয়সী তরুণীকে শ্লীলতাহানি করে পালিয়ে গেছেন। ভুক্তভোগী তরুণী অভিযোগ করেছেন যে, ওয়ার্ড বয় তার শরীরে হাত দিয়েছিলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তদন্তের কথা বলেছেন
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি শ্লীলতাহানি অভিযোগে ওয়ার্ড বয় করিম সরকার (২৯) আত্মগোপনে চলে গেছেন। ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার ভোরে, যখন একটি ২১ বছর বয়সী তরুণী জ্বর নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয় করিম সরকারের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আগেও উঠেছিল, যা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২১ বছর বয়সী তরুণী সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বর নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসেন, কিন্তু ওয়ার্ড বয় করিম সরকার (২৯) তাকে শ্লীলতাহানি করেন এবং পালিয়ে যান।
- 📌 অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয় করিম সরকারের বাবা আব্দুল কাদের সরকার এবং তিনি আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ওয়ার্ড বয় হিসেবে কাজ করতেন।
- 📌 ভুক্তভোগী তরুণী জানান, করিম তার কপাল, গলা, পিঠ ও বুকে হাত দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, “আপনার প্রচুর জ্বর”।
- 📌 অভিযুক্ত করিমের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আগেও উঠেছিল, যা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়েছিল।
- 📌 হাসপাতালের আরএমও ডা. আব্দুল মুকিত বলেছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে।
- 📌 করিম সরকারের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে এবং তার বর্তমান অবস্থান অজানা।
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত শনিবার ভোরে একটি শ্লীলতাহানি অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয় করিম সরকার (২৯) হায়দারপুর গ্রামের একটি তরুণীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে আত্মগোপনে চলে গেছেন। ভুক্তভোগী তরুণী জানান, তিনি গত শুক্রবার বিকেলে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। শনিবার ভোরে করিম নারীদের ওয়ার্ডে প্রবেশ করেন এবং তার সাথে অসদাচরণ করেন।
ভুক্তভোগী তরুণী পত্রিকাকে বলেন, “ওই ছেলে আমার নাম-ঠিকানা জিজ্ঞেস করে এবং ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে কি না জানতে চায়। কথা বলতে বলতে সে আমার কপালে ও গলায় হাত দেয়। পরে পিঠে ও বুকে হাত দিয়ে বলে, ‘আপনার প্রচুর জ্বর’। তখন আমি চিৎকার করে আমার মাকে ডাকি। এরপর বিষয়টি দ্রুত ডিউটিরত নার্স ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। টের পেয়ে অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয় দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।”
হাসপাতালের অন্তর্বিভাগের ইনচার্জ ও জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স রূপালী খাতুন বলেন, “বিষয়টি শুনেছি। ঘটনার পর আমরাও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। আমাদের নারী কর্মীদের সঙ্গেও এমন ঘটনা ঘটতে পারত।”
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. আব্দুল মুকিত বলেন, “ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযুক্ত করিম সরকারের বাবা আব্দুল কাদের সরকার এবং তিনি আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ওয়ার্ড বয় হিসেবে কাজ করতেন। করিমের বর্তমান অবস্থান অজানা এবং তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও জরুরি মিটিংয়ে ব্যস্ত থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
"আপনার প্রচুর জ্বর।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সিরাজগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: করিম সরকার (২৯), ভুক্তভোগী তরুণী (২১), ডা. আব্দুল মুকিত, রূপালী খাতুন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ বছর, ২৯ বছর, ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!