📌 সিলেটের আলমপুরে বিআরটিসি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইনচার্জ মাহবুব রহমান ও সহযোগীরা প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা ঘুষ নিচ্ছেন। জাল স্বাস্থ্য সনদ প্রদান, পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া, সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে
সিলেটের আলমপুরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ আদায়, জাল স্বাস্থ্য সনদ প্রদান এবং সরকারি অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ, কোর্স শেষে পরীক্ষায় পাস করাতে ইনচার্জ মাহবুব রহমান ও তার সহযোগীরা জনপ্রতি ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন। টাকা না দিলে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া এবং লাইসেন্স পাওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রশিক্ষণার্থীরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেটের বিআরটিসি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইনচার্জ মাহবুব রহমান প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা ঘুষ নিচ্ছেন।
- 📌 পরীক্ষায় পাস করাতে ঘুষ নেওয়ার পাশাপাশি জাল স্বাস্থ্য সনদ প্রদান করা হচ্ছে, যেখানে ইনচার্জ নিজেই ‘ভুয়া ডাক্তার’ হিসেবে কাজ করছেন।
- 📌 সরকারি বরাদ্দের ১৫০ টাকা যাতায়াত ও টিফিন ভাতা এবং ১২ হাজার টাকা প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়নি বলে অভিযোগ।
- 📌 প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ, সরকারি অর্থ ও প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে।
- 📌 প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ, টাকা দেওয়ার পরও অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে সনদ ও লাইসেন্স পাননি।
📰 বিস্তারিত
বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশন (বিআরটিসি) সেফটি প্রজেক্টের আওতায় সিলেটের আলমপুরে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ, প্রশিক্ষণ শেষে পরীক্ষায় পাস করাতে ইনচার্জ মাহবুব রহমান ও তার সহযোগীরা জনপ্রতি ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছেন। টাকা না দিলে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া এবং লাইসেন্স পাওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রশিক্ষণার্থীরা।
প্রশিক্ষণার্থীদের আরও অভিযোগ, টাকা দেওয়ার পরও অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে সনদ ও লাইসেন্স পাননি। সরকারি বরাদ্দের ১৫০ টাকা যাতায়াত ও টিফিন ভাতা এবং ১২ হাজার টাকা প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ, সরকারি অর্থ ও প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য সনদ প্রদানের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ, আলমপুর কেন্দ্র থেকে তাদের সরকারি হাসপাতাল কিংবা নিবন্ধিত চিকিৎসকের কাছে না পাঠিয়ে কেন্দ্রেই স্বাস্থ্য সনদ তৈরি করে দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ কাজে ইনচার্জ মাহবুব রহমান নিজেই চিকিৎসকের পরিচয় ব্যবহার করছেন। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের একজন কর্মরত মেডিকেল অফিসারের নামে একটি সিল তৈরি করে সেটি ব্যবহার করে প্রশিক্ষণার্থীদের স্বাস্থ্য সনদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে ওই সিলে থাকা বিএমডিসি নম্বর সরকারি ডাটাবেজে যাচাই করা হলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরিবর্তে অন্য একজন চিকিৎসকের নাম পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।
"প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়া হয় এবং টাকা না দিলে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি সরকারি বরাদ্দের টাকা দেওয়া হয় না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আলমপুর, সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইনচার্জ মাহবুব রহমান, প্রশিক্ষণার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা (ঘুষ), ১৫০ টাকা (যাতায়াত ও টিফিন ভাতা), ১২ হাজার টাকা (প্রশিক্ষণ ভাতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!