📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সৈকতের বোন জবানবন্দিতে প্রকাশ: পুলিশের গুলিতে শহীদ মাহামুদুর রহমানের রক্তাক্ত ছবি ফেসবুকে দেখে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি

সৈকতের বোন জবানবন্দিতে প্রকাশ: পুলিশের গুলিতে শহীদ মাহামুদুর রহমানের রক্তাক্ত ছবি ফেসবুকে দেখে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহামুদুর রহমানের বোন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দিতে বলেছেন, ভাইয়ের রক্তাক্ত ছবি দেখে সৈকত আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়ার আগে তিনি দু'বার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। মামলায় ২৮ জন আসামি, তাদের মধ্যে ৬ জন গ্রেপ্তার।

মোহাম্মদপুর-ধানমন্ডি এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহামুদুর রহমানের বোন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ আজ বুধবার জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভাইয়ের রক্তাক্ত ছবি ফেসবুকে দেখে তিনি সৈকত আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়া মাহামুদুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনায় এই জবানবন্দি দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাহামুদুর রহমান ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই দু'বার সৈকত আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন; ১৯ জুলাই পুলিশের গুলিতে শহীদ হন
  • 📌 বোনের জবানবন্দিতে বলেছেন, ১৮ জুলাই বিকেলে মাকে জানানো ছাড়াই আন্দোলনে যোগ দেন; ফোন করে মাকে গোলাগুলির খবর দেন
  • 📌 হাসপাতালে যাওয়ার পথে তিনি দেখেন পুলিশ আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি করছে; মর্গে তার রক্তাক্ত মরদেহ এবং পাঁচজন আরো মৃতদেহ দেখেন
  • 📌 মামলায় ২৮ জন আসামি, তাদের মধ্যে মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সাবেক সহসভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন, যুবলীগের কর্মী কে এম ফজলে রাব্বীসহ ৩ জন গ্রেপ্তার; বাকিরা পলাতক
  • 📌 বোন দাবি করেছেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন আইজিপি আবদুল্লাহ আল-মামুন, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ডিএসসিসির সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ আরও অনেককে ফাঁসি দাবি

📰 বিস্তারিত

মাহামুদুর রহমানের বোন জবানবন্দিতে বলেছেন, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে তিনি মাকে জানিয়ে ছাড়াই সৈকত আন্দোলনে যোগ দেন। আন্দোলনস্থল থেকে ফোন করে তিনি মাকে জানান যে, আশপাশে গোলাগুলি হচ্ছে। মা তাকে বাসায় ফিরতে বললে সন্ধ্যায় ফিরে আসেন। পরদিন ১৯ জুলাই জুমার নামাজ শেষে দুপুরের খাবার খেয়ে আবার আন্দোলনে যোগ দেন। বিকেলে ফোন করার পর একজন সহযোদ্ধা তাকে জানান যে, পুলিশের গুলিতে মাহামুদুর রহমান শহীদ হন। তিনি দ্রুত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে যান। হাসপাতালে যাওয়ার পথে তিনি দেখেন পুলিশ আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি করছে। হাসপাতালে মর্গে তার রক্তাক্ত মরদেহ এবং পাঁচজন আরো মৃতদেহ দেখেন তিনি।

মামলায় ২৮ জন আসামি রয়েছে। তাদের মধ্যে মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সাবেক সহসভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন, যুবলীগের কর্মী কে এম ফজলে রাব্বী, আনসার সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুকসহ ৬ জন গ্রেপ্তার রয়েছে। বাকিরা পলাতক।

বোনের জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন, হত্যাকাণ্ডের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন আইজিপি আবদুল্লাহ আল-মামুন, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ডিএসসিসির সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ আরও অনেককে ফাঁসি দাবি করেছেন।

"আমার ভাই আন্দোলনে অংশ নিয়ে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। আমি তার রক্তাক্ত ছবি দেখে সৈকত আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলাম। আমি দেখেছি পুলিশ আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি করছে। আমি মর্গে তার রক্তাক্ত মরদেহ দেখেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মোহাম্মদপুর-ধানমন্ডি এলাকা), সৈকত, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহামুদুর রহমানের বোন, নাঈমুল হাসান রাসেল, মো. সাজ্জাদ হোসেন, কে এম ফজলে রাব্বী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন আইজিপি আবদুল্লাহ আল-মামুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই (দু'বার আন্দোলনে অংশ), ২৮ জন আসামি, ৬ জন গ্রেপ্তার, ৫ জন আরো মৃতদেহ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖