📌 শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলায় জমি দলিলে ঘষামাজা করে জমির পরিমাণ বাড়িয়ে দেখানোর অভিযোগে জুলহাস উদ্দিন (৫০) গ্রেফতার করা হয়েছে। বালাম বই যাচাই করে দেখা যায়, প্রকৃতপক্ষে ১০ শতক জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল, কিন্তু জাল দলিলে ২০ শতক উল্লেখ করা হয়েছিল
শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলায় জমি দলিলে ঘষামাজা করে জমির পরিমাণ বাড়িয়ে দেখানোর অভিযোগে জুলহাস উদ্দিন (৫০) গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে চারটার দিকে ডামুড্যা উপজেলা ভূমি অফিসে বিবিধ মোকদ্দমার শুনানি চলাকালে গ্রেফতার করা হয়। জুলহাস উদ্দিন ধানোকাঠী ইউনিয়নের সম্ভুকাটি এলাকার বাসিন্দা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুলহাস উদ্দিন (৫০)কে জমি দলিলে ঘষামাজা করে জমির পরিমাণ বাড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।
- 📌 বালাম বই যাচাই করে দেখা যায়, প্রকৃতপক্ষে ১০ শতক জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল, কিন্তু জাল দলিলে ২০ শতক জমি হস্তান্তরের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
- 📌 জাল দলিলের ভিত্তিতে জুলহাস ইতোমধ্যে ১২ শতক জমি নিজের নামে নামজারি করিয়েছেন এবং আরও ৮ শতক জমি দখলের চেষ্টা করছিলেন।
- 📌 জুলহাসের ভাই হারুন গাছার নামে থাকা নামজারি খতিয়ান বাতিলের আবেদন করে তিনি দাবি করেছেন, ভাই অফিসকে ভুল বুঝিয়ে জমি বেশি নামজারি করিয়েছেন।
- 📌 ডামুড্যা থানায় এজাহার দায়ের করে পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হাশেম জাল দলিলটি আলামত হিসেবে পুলিশে হস্তান্তর করেছেন।
- 📌 ডামুড্যা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহিদুর রহমান বলেছেন, ভূমি সংক্রান্ত প্রতারণা বরদাশত করা হবে না।
📰 বিস্তারিত
বুধবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে ডামুড্যা উপজেলা ভূমি অফিসে বিবিধ মোকদ্দমার শুনানি চলাকালে জুলহাস উদ্দিন একটি দলিল উপস্থাপন করেন। সেখানে ২০ শতক জমি হস্তান্তরের কথা উল্লেখ থাকলেও দলিলের বিভিন্ন পাতায় পরিমাণের অংশে ঘষামাজার স্পষ্ট চিহ্ন দেখা যায়। পরবর্তীতে শরীয়তপুর সদর মহাফেজখানায় সংরক্ষিত বালাম বই যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, প্রকৃতপক্ষে ১০ শতক জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল।
জাল দলিলের ভিত্তিতে জুলহাস ইতোমধ্যে ১২ শতক জমি নিজের নামে নামজারি করিয়েছেন। তিনি আরও ৮ শতক জমি দখলের চেষ্টা করছিলেন। তার জন্য তিনি নিজের ভাই হারুন গাছার নামে থাকা নামজারি খতিয়ান বাতিলের আবেদন করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ভাই অফিসকে ভুল বুঝিয়ে জমি বেশি নামজারি করিয়েছেন এবং মূল দলিল অনুযায়ী ২০ শতক জমি তারই প্রাপ্য। কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করে জালিয়াতির মাধ্যমে জমি দখলের চেষ্টা করায় তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
গ্রেফতারের পর তাকে ডামুড্যা থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হাশেম বাদী হয়ে ডামুড্যা থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন এবং জাল দলিলটি আলামত হিসেবে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।
"ভূমি সংক্রান্ত কোনো ধরনের প্রতারণা বা জালিয়াতি বরদাশত করা হবে না। ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের জিরো টলারেন্স নীতি ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"
ডামুড্যা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহিদুর রহমান বলেন, ভূমি সংক্রান্ত প্রতারণা বা জালিয়াতি বরদাশত করা হবে না। ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের জিরো টলারেন্স নীতি ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শরীয়তপুর জেলা, ডামুড্যা উপজেলা, ধানোকাঠী ইউনিয়ন, সম্ভুকাটি এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুলহাস উদ্দিন (৫০), হারুন গাছার, আবুল হাশেম, জাহিদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর (জুলহাস উদ্দিন), ৩০ সেপ্টেম্বর, ৪ টা, ২০ শতক (জাল দলিলে), ১০ শতক (প্রকৃত জমি), ১২ শতক (নামজারি), ৮ শতক (দাবি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!