📌 শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মুহাম্মদ কামরুল হাসানকে আদালতের শৃঙ্খলা লঙ্ঘন ও সাক্ষী ব্যবস্থাপনার অবহেলার অভিযোগে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিচারক এজলাস থেকে নেমে যাওয়ার ঘটনায় নোটিশের পটভূমি রয়েছে
শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ কামরুল হাসানকে আদালতের শৃঙ্খলা লঙ্ঘন ও বিচার কার্যক্রমে অসদাচরণের অভিযোগে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের জিপি-পিপি শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত নোটিশে পিপিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শরীয়তপুর ট্রাইব্যুনালের পিপি মুহাম্মদ কামরুল হাসানকে আদালতের শৃঙ্খলা লঙ্ঘন ও সাক্ষী ব্যবস্থাপনার অবহেলার অভিযোগে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 ২১ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এজলাস থেকে নেমে যান পিপির অসদাচরণের কারণে
- 📌 নোটিশে বলা হয়েছে, পিপির আচরণ আদালতের মর্যাদা ও পেশাগত নীতির বিরুদ্ধে ছিল
- 📌 পিপিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দাখিল করতে বলা হয়েছে, অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে
- 📌 ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর দৈনিক আজকের পত্রিকায় পিপির অসদাচরণের ঘটনা প্রকাশিত হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের জিপি-পিপি শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে, শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলাগুলোর সুষ্ঠু ও দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের যথাসময়ে আদালতে উপস্থিত করা এবং বিচার কার্যক্রমে সহযোগিতা করা পিপির দায়িত্ব। তবে পিপি কামরুল হাসান এই দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নোটিশে দুটি প্রধান অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রথমত, আদালতের নির্ধারিত তারিখে সাক্ষীরা উপস্থিত থাকলেও তাঁদের উপস্থাপন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্বিতীয়ত, বিচার চলাকালে পিপির আচরণ ও বক্তব্য আদালতের শৃঙ্খলা, মর্যাদা ও ভাবমূর্তির পরিপন্থী ছিল।
২১ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এজলাসে একটি মামলার সাক্ষী হাজিরাকে কেন্দ্র করে বিচারক ও আইনজীবীদের সঙ্গে পিপির অসদাচরণের ঘটনা ঘটে। বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এজলাস থেকে নেমে যান। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ও মামলার পক্ষগুলোর বরাত দিয়ে দৈনিক আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
"আদালতের শৃঙ্খলা লঙ্ঘন ও সাক্ষী ব্যবস্থাপনার অবহেলার কারণে পিপিকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিচারক এজলাস থেকে নেমে যাওয়ার ঘটনাটি পিপির পেশাগত আচরণের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ছিল"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুহাম্মদ কামরুল হাসান (পিপি), মো. ফারুক হোসাইন (সিনিয়র সহকারী সচিব), শেখ হাফিজুর রহমান (বিচারক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২২ সেপ্টেম্বর, ১২ টা, ৩০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!