📌 হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ সংকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও মারধর অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনকে গালি ও শারীরিক আঘাতের অভিযোগে পুলিশ সরকারি কাজে বাধাদান ও অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের মামলা দায়ের করেছে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ সংকটে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা ও মারধরের অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধাদান, শারীরিক আঘাত ও অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হিসেবে দায়ের করেন মামলাটি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ অক্টোবর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় — লাগেজ সংকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও মারধরের অভিযোগে
- 📌 ১ অক্টোবর সকাল ১০:৪০ মিনিটে মদিনা থেকে আগত বিমান (BG-338)-এর যাত্রীদের লাগেজ সংকটে ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়
- 📌 নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে মেজর আখতারুজ্জামান গালি দেন এবং ‘আমি পিটাবো’ বলে হুমকি দেন
- 📌 নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনকে ভিডিও ধারণে নিষেধ করলে মেজর আখতারুজ্জামান তাকে মারধর করেন
- 📌 অভিযুক্ত মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান বিএনপি থেকে সর্বমোট ৫ বার দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কৃত হয়েছেন
- 📌 পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য সংগ্রহ করে ঘটনার তদন্ত করবে
📰 বিস্তারিত
গত ১ অক্টোবর সকাল ১০:৪০ মিনিটে মদিনা থেকে আগত বিমান (BG-338)-এর যাত্রীদের লাগেজ সংকটে ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। যাত্রীদের ক্ষোভে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছিলেন, যখন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে তার দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে আসেন। তিনি নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে অকথ্য ভাষায় গালি দেন এবং ‘আমি কিন্তু পিটাবো ধইরা’, ‘ঘাড় ধরে বের করে দিবো’ বলে প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করেন। এছাড়া তিনি বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী সম্পর্কেও চরম অশালীন মন্তব্য করেন।
বিশৃঙ্খলা আরো বেড়ে যায় যখন মেজর আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা প্রটোকল সহকারীরা বিমানবন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। সেখানে দায়িত্বরত নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ভিডিও ধারণে নিষেধ করলে মেজর আখতারুজ্জামান তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন। এছাড়া তিনি সাধারণ যাত্রীদের সংগ্রহ করা পবিত্র জমজমের পানির বোতলও ট্রলি থেকে ছুঁড়ে ফেলে ক্ষতিসাধন করেন এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একজন প্রতিনিধির সাথে মারমুখী আচরণ করেন।
মামলার এজাহারকারী জানান, অভিযুক্তের কর্মকাণ্ডে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। পুলিশ সরকারি কাজে বাধাদান, আঘাত, অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ, ইচ্ছাকৃত অপমান ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অপরাধে মামলাটি রুজু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য এবং অন্যান্য আলামত সংগ্রহের মাধ্যমে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
"আমি কিন্তু পিটাবো ধইরা, ঘাড় ধরে বের করে দিবো" — মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে হুমকি দেন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ, ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, শাহরিয়ার আলম সজিব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ অক্টোবর (মামলা দায়েরের তারিখ), ১ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ১০:৪০ (ঘটনার সময়), BG-338 (বিমান নম্বর), ৮ (লাগেজ বেল্ট নম্বর), ৫ (বহিষ্কৃতবার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!