📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাভারে ধর্ষণ মামলার বাদীসহ এলাকাবাসীকে লক্ষ্য করে মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও লুটপাট: পুলিশ তদন্তে

সাভারে ধর্ষণ মামলার বাদীসহ এলাকাবাসীকে লক্ষ্য করে মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও লুটপাট: পুলিশ তদন্তে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাভারের একটি মহিলা মাদ্রাসায় ধর্ষণ মামলার বাদীসহ এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামির ছেলে বাদী হয়ে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে মামলা করেন। পুলিশ তদন্তে লুটপাটের সত্যতা নিশ্চিত করতে বলেছেন

সাভার থানায় একটি মহিলা মাদ্রাসায় ধর্ষণ মামলার বাদীসহ এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামির ছেলে মো. উমায়ের বাদী হয়ে গত শনিবার রাতে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে মামলা করেন। এই ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল বারী ও তার স্ত্রী ছালেমা তোহফার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সহযোগিতার অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২১ অক্টোবর সকালে সাভারের ‘তোহফাতুল জান্না’ মহিলা মাদ্রাসার একটি ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে মামলা করা হয়।
  • 📌 ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল বারী পালিয়ে যান, স্ত্রী ছালেমা তোহফাকে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেন।
  • 📌 ধর্ষণ মামলার বাদীসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা করা হয়। লুট করা হয় ৪৭ লাখ টাকা ও ২৩ লাখ টাকার মূল্যের স্বর্ণালংকার।
  • 📌 মাদ্রাসার পরিচালক আব্দুল বারীর ছেলে মো. উমায়ের দাবি, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।
  • 📌 স্থানীয়রা মনে করেন, ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় ভাঙচুর ঘটে, তবে লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
  • 📌 সাভার থানার কর্মকর্তারা বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📰 বিস্তারিত

সাভার থানার ছোট কালিয়াকৈর এলাকায় অবস্থিত ‘তোহফাতুল জান্না’ মহিলা মাদ্রাসায় গত ২১ অক্টোবর সকালে একটি ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে মামলা করা হয়। ধর্ষণ মামলার এজাহারে বলা হয়, মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে থাকা ছাত্রীকে মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল বারী একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনার সময় ছিল সকাল ১০টা। ধর্ষণের ঘটনাটি জানার পর পরিচালকের স্ত্রী ছালেমা তোহফা শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাটি প্রকাশ করতে বাধা দেন। পরে শিশুটি মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনাটি জানায়। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে ছালেমা তোহফাকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেন। এর আগেই পরিচালক আব্দুল বারী পালিয়ে যান।

ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামির ছেলে মো. উমায়ের বাদী হয়ে গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে সাভার থানায় মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় ধর্ষণ মামলার বাদীসহ ছয় জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, পূর্বশত্রুতার জেরে আসামিরা মাদ্রাসার কার্যালয় ও বাসায় ভাঙচুর করেন এবং ৪৭ লাখ টাকা নগদ ও ২৩ লাখ টাকার মূল্যের স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।

মাদ্রাসার পরিচালক আব্দুল বারীর ছেলে মো. উমায়ের দাবি, তাঁর বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। তিনি বলেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। তবে স্থানীয়রা মনে করেন, ধর্ষণের ঘটনাকে সাজানো বলে মনে করেন না। তাঁদের ভাষ্য, ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। তবে লুটপাটের অভিযোগ তাঁরা অস্বীকার করেন।

"ধর্ষণের ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্যই প্রভাবশালীদের সহায়তায় আমার ও গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাভার, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. উমায়ের, মোহাম্মদ আব্দুল বারী, ছালেমা তোহফা, সাভার থানার কর্মকর্তারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ অক্টোবর, ২৪ অক্টোবর, ১০ টা, ৪৭ লাখ টাকা, ২৩ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖