📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাতক্ষীরা মাদ্রাসায় ধর্ষণ-অন্তঃসত্ত্বা মামলা: শিক্ষক ও দুই ছাত্রকে আসামি

সাতক্ষীরা মাদ্রাসায় ধর্ষণ-অন্তঃসত্ত্বা মামলা: শিক্ষক ও দুই ছাত্রকে আসামি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ষষ্ঠ শ্রেণির একটি মাদ্রাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন। নানির মামলায় শিক্ষক নূর আলম সরদার (৩৬) ও দুই শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২ জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ধর্ষণ ও ভিডিও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে একটি মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণির একটি ছোট মেয়েকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার ঘটনায় নানির মামলায় শিক্ষক ও দুই শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়েছে। এই ঘটনায় মেয়েটি প্রায় পাঁচ বছর ধরে নানির বাড়িতে থেকে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। তার বাবা যশোরের শার্শা উপজেলার বাসিন্দা এবং মা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ষষ্ঠ শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন।
  • 📌 মামলায় শিক্ষক নূর আলম সরদার (৩৬) ও দুই শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়েছে।
  • 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ডিসেম্বর মাসে শিক্ষার্থীরা শিশুটিকে গোসলের ভিডিও ধারণ করে এবং পরে দুজন মিলে তাকে ধর্ষণ করে।
  • 📌 শিক্ষক নূর আলম সরদারও শিশুটিকে জুস খাওয়ানোর নামে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
  • 📌 শিশুটি বয়স কম হওয়ায় এবং লোকলজ্জার ভয়ে এতদিন বিষয়টি কাউকে জানায়নি।
  • 📌 ৫ অক্টোবর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নানি তাকে যশোরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান, যেখানে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
  • 📌 অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আত্মগোপনে রয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
  • 📌 শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের কাজ করছে।

📰 বিস্তারিত

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ষষ্ঠ শ্রেণির একটি মাদ্রাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন। এই ঘটনায় নানির মামলায় শিক্ষক নূর আলম সরদার (৩৬) এবং দশম ও অষ্টম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শিশুটি প্রায় পাঁচ বছর ধরে নানির বাড়িতে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। তার বাবা যশোরের শার্শা উপজেলার বাসিন্দা এবং মা মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে অবস্থান করছেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, গত ডিসেম্বর মাসে দশম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী শিশুটিকে গোসলের ভিডিও গোপনে ধারণ করে। পরে ভিডিওটি অষ্টম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকেও দেয়া হয়। এরপর দুজন মিলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। গত ২ জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে নানির অনুপস্থিতিতে ওই দুজন শিশুটিকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

শিক্ষক নূর আলম সরদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি প্রতিবেশী ও শিক্ষক হওয়ায় নিয়মিত ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি নানি বাড়িতে না থাকার সুযোগে তিনি শিশুটিকে জুস খাওয়ান। এরপর শিশুটি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে তাকে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এজাহারে বলা হয়েছে, বয়স কম হওয়ায় এবং লোকলজ্জার ভয়ে শিশুটি এতদিন কাউকে বিষয়টি জানায়নি।

৫ অক্টোবর সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নানি তাকে যশোরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান। পরে নানির জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি নির্যাতনের কথা জানায়। এদিকে শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শিক্ষক নূর আলম সরদারের স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক বলেছেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিন দিনের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম বলেছেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। শিশুটির নানির করা মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

"আমি অসহায় মানুষ। আল্লাহ আর থানা-পুলিশই এখন আমার ভরসা। মেয়েটার জীবন তো শেষ হয়ে গেল! এখন কী করব, কোথায় যাব, কিছুই বুঝতে পারছি না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূর আলম সরদার (৩৬), শিশু নানি, শিশু মাদ্রাসাছাত্রী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬ (শিক্ষক নূর আলম সরদারের বয়স), ২ (জানুয়ারি), ১০ (ফেব্রুয়ারি), ৫ (অক্টোবর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖