📌 সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার মাদক আসামি শফিকুল ইসলাম আদালত থেকে পালিয়ে যান। হাতকড়া ছাড়াই পালানোর ৩ ঘণ্টা পরে পুলিশ তাঁকে ফের গ্রেপ্তার করে। একই সাথে রংপুরের আলুর বাম্পার ফলন কৃষকদের জন্য বড় লোকসানের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার মাদক আসামি শফিকুল ইসলাম আদালত থেকে পালিয়ে যান এবং হাতকড়া ছাড়াই পালানোর মাত্র তিন ঘণ্টা পরে পুলিশ তাঁকে ফের গ্রেপ্তার করে। শফিকুল ইসলাম, যিনি মাদক মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত এবং একটি বিচারাধীন মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত, বুধবার দুপুরে আদালত থেকে পালিয়ে যান। পরে তাঁকে সদর হাসপাতাল এলাকায় পুলিশের হাতে ফের গ্রেপ্তার করা হয় এবং কারাগারে পাঠানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা আদালত থেকে পালিয়ে যান এবং হাতকড়া ছাড়াই পালানোর ৩ ঘণ্টা পরে পুলিশ তাঁকে ফের গ্রেপ্তার করে।
- 📌 শফিকুল ইসলাম পাটকেলঘাটা থানার রাড়িপাড়া গ্রামের সবুজ সানার ছেলে এবং তিনি মাদক মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত।
- 📌 ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তাঁকে বাড়ি থেকে ৩ বোতল ফেনসিডিল ও ১৫০ গ্রাম গাঁজা নিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
- 📌 শফিকুল ইসলাম ২০২৫ সালে পলাতক অবস্থায় দুই বছরের সাজা পেয়েছিলেন এবং মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আসামি হিসেবে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল।
- 📌 রংপুরে ৫১ লাখ ৭৬ হাজার টন আলুর উৎপাদনের বিপরীতে মাত্র ২৩ শতাংশ সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরা আদালত সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলামকে ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর বাড়ি থেকে তিন বোতল ফেনসিডিল ও ১৫০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করে সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয় এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। জামিনে মুক্ত হয়ে ২০২৫ সালের পর থেকে শফিকুল পলাতক ছিলেন।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আসামি হিসেবে পাটকেলঘাটা থানার পুলিশ শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। আজ দুপুর দেড়টার দিকে মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের ১০ তলা ভবনের তিন তলার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে হাতকড়াসহ তাঁকে নেওয়ার সময় শফিকুল পালিয়ে যান। পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, শফিকুল ইসলামকে আজ আদালতে নেওয়ার পর আদালত চত্বর থেকে পালিয়ে যান। পরে তাঁকে সদর হাসপাতাল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনার পাশাপাশি রংপুরে আলুর বাম্পার ফলন কৃষকদের জন্য বড় লোকসানের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৫১ লাখ ৭৬ হাজার টনের বেশি উৎপাদনের বিপরীতে হিমাগারে সংরক্ষণের সুযোগ হয়েছে মাত্র ২৩ শতাংশ আলুর। সংরক্ষিত আলুর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এখনো হিমাগারে পড়ে আছে। নতুন আলুর চাষ মাঠে শুরু হয়েছে।
"আদালত চত্বর থেকে হাতকড়াসহ পালিয়ে যান তিনি। পরে তাঁকে সদর হাসপাতাল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাতক্ষীরা, পাটকেলঘাটা থানা, রাড়িপাড়া গ্রাম, সদর হাসপাতাল এলাকা, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুল ইসলাম, মো. শফিকুল ইসলাম (ওসি), জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ ঘণ্টা, ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৫০ গ্রাম, ১০ তলা, ৫১ লাখ ৭৬ হাজার টন, ২৩ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!