📌 সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফের হত্যার বিচারের দাবিতে নেত্রকোনা ও দুর্গাপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তি নিশ্চিতের পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। দুর্গাপুরে বিক্ষোভ মিছিলে সড়ক অবরোধ করা হয়
সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফের হত্যার বিচারের দাবিতে নেত্রকোনা ও দুর্গাপুরে আজ শনিবার দুটি আলাদা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। দুর্গাপুর উপজেলায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত সাংবাদিকের মৃত্যুর পর বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা একসাথে দাঁড়িয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেত্রকোনা শহরে মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রেসক্লাবের সাবেক সহসভাপতি হায়দার জাহান চৌধুরী
- 📌 দুর্গাপুরে মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ সাংবাদিক ও প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মো. মোহন মিয়া
- 📌 বক্তারা দাবি করেন: "দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে"
- 📌 দুর্গাপুরে বিক্ষোভ মিছিলে সড়ক অবরোধ করা হয়, যান চলাচল বন্ধ থাকে
- 📌 আলিফের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা দুর্গাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন, ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফের হত্যার বিচারের দাবিতে আজ শনিবার দুটি আলাদা কর্মসূচি পালিত হয়। নেত্রকোনা জেলা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকার প্রেসক্লাবের সামনে সকাল ১১টায় এবং দুর্গাপুর পৌরসভার প্রেসক্লাব মোড় এলাকায় সাড়ে ১১টায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
নেত্রকোনা শহরের কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রেসক্লাবের সাবেক সহসভাপতি হায়দার জাহান চৌধুরী। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর কিবরিয়া চৌধুরী। কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন খবরের কাগজের প্রতিনিধি সঞ্জয় সরকার, ভোরের কাগজের প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের সমন্বয়ক প্রীতম সোহাগ, ৭১ টেলিভিশনের প্রতিনিধি মির্জা হৃদয় সাগর, স্টার নিউজের প্রতিনিধি আজাদ ইমরান শরিফ, জি টিভির প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া সোহেল, সাংবাদিক আবুল কালাম ও সোহেল খান প্রমুখ।
দুর্গাপুরের কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন দুর্গাপুর প্রেসক্লাবের সহসভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক মো. মোহন মিয়া। সঞ্চালনা করেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম বিল্লাহ। বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও নির্মলেন্দু সরকার, যমুনা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার কামাল হোসাইন, প্রথম আলোর প্রতিনিধি পল্লব চক্রবর্তী, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি সাইফুল আরিফ জুয়েল, ডিবিসির প্রতিনিধি রাকিবুল ইসলাম, দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সৈকত সরকার ও ৭১ টেলিভিশনের উপজেলা প্রতিনিধি রাজেশ গৌড়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। হত্যার পেছনে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিক হত্যার বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, আলিফের দুটি ছোট সন্তান রয়েছে। তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। এ অবস্থায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের ভরণপোষণ ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।
দুর্গাপুরে মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এ সময় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন অংশগ্রহণকারীরা। এতে কিছুক্ষণের জন্য ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
"সাংবাদিক হত্যার বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনা জেলা শহর (মোক্তারপাড়া), দুর্গাপুর পৌরসভা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হায়দার জাহান চৌধুরী, মো. মোহন মিয়া, লুৎফুজ্জামান আলিফ, আনন্দিতা সাংমা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা আসামি, সাড়ে ১১টা (সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!