📌 নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গত রাতে গুলি করে হত্যা করা হয়। আগের হামলার পরও তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া বিষয়টি আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে। সংস্থাটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও হত্যাকাণ্ডের বিচারহীনতা রোধের দাবি জানিয়েছে
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গত ১৫ অক্টোবর রাতে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এবং আগের হামলার পরও তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া বিষয়টি বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সংস্থাটি গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে এই উদ্বেগের কথা জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরের তেলনজিয়া এলাকায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি রূপসী বাংলা চ্যানেলের নেত্রকোনা প্রতিনিধি ছিলেন।
- 📌 ২০২৫ সালের নভেম্বরে আলিফের আগের হামলার পরও তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়নি, যা সংস্থাটিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মনে করিয়েছে।
- 📌 আসক মনে করে, সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের বিচারহীনতা অব্যাহত থাকলে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জনগণের জানার অধিকার সংকুচিত হবে।
- 📌 সংস্থাটি দাবি করেছে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হত্যাকাণ্ডের তদন্তে কোনো প্রভাব বা পক্ষপাতের সুযোগ থাকবে না।
- 📌 বাংলাদেশের সংবিধান (৩২ ও ৩৯ অনুচ্ছেদ) এবং আন্তর্জাতিক চুক্তি (আইসিসিপিআর) ৬ ও ১৯ অনুচ্ছেদে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
আসকের নির্বাহী পরিচালক তাহমিনা রহমান বলেছেন, সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের তদন্তে কোনো ধরনের অবহেলা বা প্রভাব থাকা উচিত নয়। তিনি দাবি করেছেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হত্যার ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে আসক। সংস্থাটি বলেছে, স্বাধীন সাংবাদিকতা রক্ষা করা গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অন্যতম পূর্বশর্ত।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জীবনের অধিকার (৩২ অনুচ্ছেদ) এবং মতপ্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা (৩৯ অনুচ্ছেদ) সুরক্ষিত রয়েছে। অন্যদিকে, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি (আইসিসিপিআর) অনুযায়ী, জীবনের অধিকার (৬ অনুচ্ছেদ) এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা (১৯ অনুচ্ছেদ) সুরক্ষিত।
"এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে কোনো ধরনের অবহেলা, প্রভাব বা পক্ষপাতের সুযোগ থাকা উচিত নয়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনার দুর্গাপুরের তেলনজিয়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির, তাহমিনা রহমান (আসক নির্বাহী পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ অক্টোবর, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ সালের নভেম্বর, ৩২ ও ৩৯ (সংবিধান), ৬ ও ১৯ (আইসিসিপিআর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!