📌 রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় এক পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ড মামলায় ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া আলামতের ডিএনএ পরীক্ষায় আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ মিলে গেছে। পুলিশের গোয়েন্দা শাখা নিশ্চিত করেছে যে, খেজুরের বিচি, শসা ও সিগারেট ফিল্টার থেকে পাওয়া নমুনায় তাদের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে
রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় এক পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ড মামলায় ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামতের ডিএনএ পরীক্ষায় দু’জন আসামির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া খেজুরের বিচি, শসা ও সিগারেটের ফিল্টার থেকে সংগ্রহ করা জৈবিক নমুনায় আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ মিলে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিএনএ মিলে আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত: ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া খেজুরের বিচি, শসা ও সিগারেট ফিল্টার থেকে আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ মিলে গেছে বলে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা নিশ্চিত করেছে।
- 📌 ৩৫টি আলামতের ফরেনসিক পরীক্ষা: হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা ৩৫টি আলামতের মধ্যে খেজুরের বিচি, শসা, সিগারেটের ফিল্টার, ফয়েল, নানরুটি, বেসিনের দাগ ও শিশুর খাতায় পাওয়া লেখাসহ বিভিন্ন প্রমাণ ছিল।
- 📌 ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ: আসামিদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য গত ২০ সেপ্টেম্বর রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। সিআইডি ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষা করে আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।
- 📌 ১৬৪ ধারায় দায় স্বীকার: গ্রেপ্তারকৃত আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। মামলাটি বর্তমানে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা তদন্ত করছে।
- 📌 ময়মনসিংহে বজ্রপাতে মৃত্যু: পৃথকভাবে, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় গরুর জন্য মাঠে ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে ৩০ বছর বয়সী কৃষক মো. তোতা মিয়া (৩০) নিহত হয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় গত ২২ আগস্ট রাতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামতের মধ্যে ফল কাটার চাকু, ইয়াবা সেবনের ফয়েল, সিগারেটের শেষাংশ, শসা, খেজুর, বেসিনের দাগ এবং শিশুর খাতায় পাওয়া লেখাসহ বিভিন্ন প্রমাণ ছিল।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা বাড়িতে অবস্থান করে খেজুর ও শসা খেয়েছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা নমুনাগুলো ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। পরে, আসামিদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে আলামতের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। সিআইডি ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষা করে দেখা যায়, খেজুরের বিচি, কামড় দেওয়া শসার অংশ এবং সিগারেটের ফিল্টার থেকে পুরুষের ডিএনএর অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছিল।
সনাতন চক্রবর্তী বলেছেন, ‘ঢাকার সিআইডি ফরেনসিক ল্যাবে আসামিদের ডিএনএ স্যাম্পলিং করা হয়েছিল। আলামতে পাওয়া ডিএনএর সঙ্গে তাদের ডিএনএ মিলে গেছে। ম্যাচ করেছে।’ তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামতের মধ্যে খেজুরের বিচি, শসা ও সিগারেটের ফিল্টার থেকে আসামিদের ডিএনএ পাওয়া গেছে।
আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। পরদিন ঢাকার সিআইডি কার্যালয়ে তাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।
"ঢাকার সিআইডি ফরেনসিক ল্যাবে ওদের ডিএনএ স্যাম্পলিং করাইছি, সেখানে আলামতে পাওয়া ডিএনএর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। ম্যাচ করেছে।"
এই ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। মামলাটি বর্তমানে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা তদন্ত করছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুরের মাছুয়াপাড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সনাতন চক্রবর্তী (পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপকমিশনার), সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস, গণপতি চক্রবর্তী, প্রীতিলতা চক্রবর্তী, আগামী চক্রবর্তী, প্রিয়ম চক্রবর্তী, মো. তোতা মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫টি আলামত, ২০ সেপ্টেম্বর, ২২ আগস্ট, ১৬৪ ধারা, ৩০ বছর বয়স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!