📌 রংপুরের পীরগঞ্জে ভোটার তালিকায় নাম দাবি করে আসা রোহিঙ্গা যুবক শওকতকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, টেকনাফ থেকে আসা এই যুবককে স্থানীয় অসাধুদের মাধ্যমে ভোটার হিসেবে সাজিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। পীরগঞ্জ থানার ওসি নজমূল হক জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র রোহিঙ্গাদের ভোটার হিসেবে সাজিয়ে বিদেশে পাঠানোর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন শওকত নামের এক রোহিঙ্গা যুবক। পুলিশের তথ্য মতে, তিনি কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে আসা একজন ব্যক্তির মাধ্যমে পীরগঞ্জে এসেছিলেন। ওই ব্যক্তি তাকে পীরগঞ্জের নাগরিক হিসেবে সাজিয়ে বিদেশে পাঠানোর চক্রান্তে লিপ্ত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে ভোটার হওয়ার জন্য আসা রোহিঙ্গা যুবক শওকতকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
- 📌 শওকত নিজেকে পীরগঞ্জের পাঁচগাছি ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন, কিন্তু তার দেওয়া তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার মিল ছিল না।
- 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, টেকনাফ থেকে আসা একজন ব্যক্তির মাধ্যমে শওকতকে পীরগঞ্জে নিয়ে আসা হয়। ওই ব্যক্তি তাকে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে নিয়ে যান এবং তার মোবাইল ফোন নম্বর মুছে দেন।
- 📌 পীরগঞ্জ থানার ওসি নজমূল হক জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র রোহিঙ্গাদের ভোটার হিসেবে সাজিয়ে বিদেশে পাঠানোর চক্রান্তে লিপ্ত। এনআইডি তৈরিতে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়।
- 📌 নির্বাচন কর্মকর্তারা শওকতের সন্দেহজনক আচরণ দেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে ভোটার হওয়ার জন্য আসা শওকতকে পুলিশের হাতে গ্রেফতার করা হয়। শওকত নিজেকে পীরগঞ্জের পাঁচগাছি ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। তিনি নাগরিকত্ব সনদ, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন কাগজপত্র জমা দেন। তবে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয় তার দেওয়া তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার মিল না থাকায় তাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় শওকত জানান, তিনি কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে একজন ব্যক্তির মাধ্যমে পীরগঞ্জে এসেছিলেন। ওই ব্যক্তি তাকে পীরগঞ্জের নাগরিক হিসেবে সাজিয়ে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে এখানে নিয়ে আসেন। পীরগঞ্জে আসার পর ওই ব্যক্তি তাকে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে নিয়ে যান এবং তার মোবাইল ফোন নম্বর মুছে দেন। শওকত দাবি করেন, ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় বা বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে তিনি কোনো তথ্য জানেন না।
পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমূল হক বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, টেকনাফ থেকে একজন স্থানীয় ব্যক্তির মাধ্যমে ওই যুবক পীরগঞ্জে এসেছেন ভোটার হওয়ার জন্য। ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্থানীয় অসাধু জনপ্রতিনিধি ও নির্বাচন অফিসের কর্মচারীদের সঙ্গে যোগসাজশে রোহিঙ্গাদের ভোটার হিসেবে সাজিয়ে ফেলার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। তারা ভুয়া পিতা-মাতা সাজিয়ে, ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে এবং মৃত ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে এনআইডি তৈরি করে দিচ্ছে।
"প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, টেকনাফ থেকে একজন স্থানীয় ব্যক্তির মাধ্যমে ওই যুবক পীরগঞ্জে এসেছেন ভোটার হওয়ার জন্য। ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পীরগঞ্জ উপজেলা, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শওকত (রোহিঙ্গা যুবক), ওসি নজমূল হক, পীরগঞ্জ থানার কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!