📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

লক্ষ্মীপুরে পুলিশের ৭ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলায় আদালত দেন বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

লক্ষ্মীপুরে পুলিশের ৭ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলায় আদালত দেন বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানায় পুলিশের ৭ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলায় আদালত বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। বাদী রিনা আক্তার অভিযোগ করেছেন যে, তদন্তে ত্রুটি থাকায় সিআইডির প্রতিবেদনকে নারাজি জানানো হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানায় পুলিশের ৭ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলায় আদালত বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। রায়পুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রেজাউল হক রোববার দীর্ঘ শুনানি শেষে এই নির্দেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল আহাদ শাকিল পাটওয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানায় পুলিশের ৭ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলায় আদালত বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
  • 📌 বাদী রিনা আক্তার অভিযোগ করেছেন, সিআইডি তদন্তে ত্রুটি থাকায় তাদের প্রতিবেদনকে নারাজি জানানো হয়েছে।
  • 📌 ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর রায়পুর-চাঁদপুর সড়কের বর্ডার বাজারে পুলিশের হাতে আটক হওয়া আবদুর রহিম রনিকে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করা হয়।
  • 📌 অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছে রায়পুর থানার এসআই মো. আবু হানিফ (১ ও ২), মো. নুরুল ইসলাম, এএসআই সফিক মিয়া ও সাখাওয়াত হোসেন, কনস্টেবল আতিক উল্যা ও ইউসুফ ঢালি।
  • 📌 রিনা আক্তারের স্বামী রনিকে আটক করে ৯০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া এবং থানায় মারধর করার অভিযোগ রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর রায়পুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। প্রথমে তদন্তের দায়িত্ব পুলিশ সুপারকে দেওয়া হয়, পরে পিবিআই এবং সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদনেও বাদীপক্ষ নারাজি জানায়। গত ২ জুলাই সিআইডি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে, কিন্তু ১৭ আগস্ট বাদীপক্ষ আবারও নারাজি জানায়। আইনজীবী শাকিল পাটওয়ারী বলেন, তদন্তে রায়পুর থানা ও হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজের হার্ডডিস্ক জব্দ করা হয়নি এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়নি।

বাদী রিনা আক্তার জানান, স্বামী রনিকে আটক করে পুলিশের হাতে ৯০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। পরে থানায় নিয়ে রনিকে মারধর করা হয়। রিনা আক্তার স্বামীর সন্ধান পেতে বিভিন্ন দপ্তরে খোঁজ করেন। রায়পুর থানার এক উপপরিদর্শকের কাছে স্বামীর বিষয়ে জানতে চাইলে তাঁকে ছাড়িয়ে নিতে দুই লাখ টাকা দাবি করা হয়। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রনিকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক করা হয় এবং মামলা করা হয়।

মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছে রায়পুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু হানিফ (১ ও ২), মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সফিক মিয়া ও সাখাওয়াত হোসেন এবং কনস্টেবল আতিক উল্যা ও ইউসুফ ঢালি।

"তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের বিষয়ে যথাযথ তদন্ত না করে তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন বলে বাদীপক্ষের অভিযোগ। রায়পুর থানা ও হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজের হার্ডডিস্ক জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়নি। এ ছাড়া বাদীপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি যথাযথভাবে আমলে না নিয়ে নিজেদের মতো করে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানা ও চরপাতা ইউনিয়নের বর্ডার বাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিনা আক্তার, বিচারক মোহাম্মদ রেজাউল হক, অ্যাডভোকেট আবদুল আহাদ শাকিল পাটওয়ারী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ পুলিশ সদস্য, ৯০ হাজার টাকা, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ২ জুলাই, ১৭ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖