📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রায়পুর থানার পুলিশ সদস্য ৯০ হাজার টাকা ছিনিয়ে মারধর ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে, স্ত্রী আদালতে দায়ের মামলা

রায়পুর থানার পুলিশ সদস্য ৯০ হাজার টাকা ছিনিয়ে মারধর ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে, স্ত্রী আদালতে দায়ের মামলা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় সাত পুলিশ সদস্য ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর আবদুর রহিমের ৯০ হাজার টাকা ছিনিয়ে মারধর করে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। স্ত্রী রিনা আক্তার আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় পুলিশের সাত সদস্য এক ব্যক্তির ৯০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে মারধর ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে পড়েন। ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির স্ত্রী রিনা আক্তার আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত পুলিশের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রায়পুর থানার সাত পুলিশ সদস্য ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর আবদুর রহিমের ৯০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করে মিথ্যা মামলা দায়ের করে।
  • 📌 পুলিশ সদস্যরা আবদুর রহিমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে গিয়ে পানি খেতে চাইলে মাথায় আঘাত করে।
  • 📌 রায়পুর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে তিনটি মামলা দায়ের করে আবদুর রহিমকে কারাগারে পাঠান।
  • 📌 আবদুর রহিম ছয় মাস কারাগারে ছিলেন, পরে ২০২৪ সালের ১৯ জুন জামিনে মুক্তি পান।
  • 📌 রিনা আক্তার মামলায় পুলিশের সাত সদস্যকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করেন।
  • 📌 আদালত সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে আবারও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

📰 বিস্তারিত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের পূর্ব চরপাতা গ্রামের আবদুর রহিম ওরফে রনি ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর গরু বিক্রি করে ৯০ হাজার টাকা নিয়ে ফিরছিলেন। পথে রায়পুর থানার সাত পুলিশ সদস্য তাঁর টাকা ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করে। রায়পুর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে আবদুর রহিমকে কারাগারে পাঠান।

আবদুর রহিমের স্ত্রী রিনা আক্তার স্বামীকে আটকের খবর পেয়ে রায়পুর থানায় গিয়ে খোঁজ নেন। কিন্তু তাঁর সন্ধান পাননি। পরে সদর থানা, গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয় ও জেলা কারাগারেও খোঁজ নেন তিনি। অবশেষে রায়পুর থানায় তাঁর মোটরসাইকেল দেখে বুঝতে পারেন পুলিশই তাঁকে নিয়ে গেছে। এরপর রিনা আক্তার ২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশের সাত সদস্যকে আসামি করা হয়, তাদের মধ্যে রয়েছে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু হানিফ, নুরুল ইসলাম, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শফিক মিয়া, সাখাওয়াত হোসেন, কনস্টেবল আতিক উল্যা ও ইউসুফ ঢালি।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রায়পুর-চাঁদপুর সড়কের চরপাতা ইউনিয়নের বর্ডার বাজার এলাকায় পুলিশ সদস্যরা আবদুর রহিমকে আটক করে। তাঁর কাছে গরু বিক্রির ৯০ হাজার টাকা ছিল। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ওই টাকা নিয়ে তাঁকে মারধর করা হয় এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে পানি খেতে চাইলে টিউবওয়েলের সঙ্গে তাঁর মাথা ঠুকে আঘাত করা হয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

"আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছে।" — মো. আবু হানিফ ও নুরুল ইসলাম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রায়পুর উপজেলা, লক্ষ্মীপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুর রহিম ওরফে রনি, রিনা আক্তার, মো. আবু হানিফ, সাখাওয়াত হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ হাজার টাকা, ৭ পুলিশ সদস্য, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖