📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রসমালাইয়ে চেতনানাশক মিশিয়ে সোনা-রুপা লুটের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ৩৩ লাখ টাকার জিনিস

রসমালাইয়ে চেতনানাশক মিশিয়ে সোনা-রুপা লুটের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ৩৩ লাখ টাকার জিনিস

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় পুলিশ রসমালাইয়ে চেতনানাশক মিশিয়ে সোনা-রুপা লুটের ঘটনায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। পাংশা থানায় মামলা করা মালিক শহিদুল ইসলামের দোকান থেকে ৬৫ লাখ টাকার মূল্যের জিনিস চুরি হয়। পুলিশ ৩৩ লাখ টাকার জিনিস উদ্ধার করেছে

গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় পুলিশ রসমালাইয়ে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে সোনা-রুপা লুটের ঘটনায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। পাংশা থানায় মামলা করা সোনার দোকানের মালিক শহিদুল ইসলামের দোকান থেকে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার মূল্যের সোনা, রুপা ও নগদ টাকা চুরি হয়। পুলিশ ৩৩ লাখ টাকার মূল্যের জিনিস উদ্ধার করেছে এবং আসামিকে আদালতে হস্তান্তর করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রসমালাইয়ে চেতনানাশক মিশিয়ে পাংশা থানার সোনার দোকানের মালিক শহিদুল ইসলামকে অচেতন করে ৬৫ লাখ টাকার সোনা-রুপা ও নগদ টাকা চুরি করা হয়।
  • 📌 গ্রেপ্তার ১: গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় কর্মচারী খন্দকার জায়ফুল ইসলাম লিটনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
  • 📌 পুলিশ উদ্ধার ১৫ ভরি সোনা (৩৩ লাখ টাকা) ও ২২০ ভরি রুপা (৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা)।
  • 📌 চুরির পরিমাণ: ২৫ ভরি সোনা, ২২০ ভরি রুপা ও ২ লাখ টাকা নগদ।
  • 📌 পরিকল্পিত চুরি: লিটন ও সহযোগী শহিদুল ইসলামকে জলিলপাড়া এলাকায় নিয়ে যান, রসমালাইয়ে চেতনানাশক মিশিয়ে অচেতন করেন।

📰 বিস্তারিত

রাজবাড়ীর পাংশা থানার নারায়ণপুর শাখিনন্দ দত্ত মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত নিউ মুসলিম জুয়েলার্সের মালিক শহিদুল ইসলামের দোকান থেকে গত ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত সোনা ও রুপার অলংকার এবং নগদ টাকা চুরি হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চুরির ঘটনায় জড়িত কর্মচারী খন্দকার জায়ফুল ইসলাম লিটনসহ দুজন আসামি। তারা পরিকল্পিতভাবে শহিদুল ইসলামকে জলিলপাড়া এলাকায় নিয়ে যান এবং রসমালাইয়ে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করেন। এরপর দোকানের চাবি নিয়ে সোনা, রুপা ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।

পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন জানান, লিটনসহ দুজন আসামির মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চুরি হওয়া সোনার পরিমাণ ২৫ ভরি, রুপা ২২০ ভরি ও নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা। সব মিলিয়ে চুরি হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় লিটনের অবস্থান শনাক্ত করে পাংশা থানা-পুলিশ গাজীপুরের কোনাবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার লিটন থেকে পুলিশ ১৫ ভরি ও ১ দশমিক ৫৮ আনা সোনা এবং ২২০ ভরি রুপার অলংকার উদ্ধার করেছে। উদ্ধার করা সোনার আনুমানিক মূল্য ৩৩ লাখ ২১ হাজার টাকা এবং রুপার মূল্য ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। উদ্ধার করা অলংকার আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার লিটনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।

"দোকানের কর্মচারী লিটনসহ দুজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। পরিকল্পিতভাবে দোকানমালিককে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে দোকানের চাবি নেওয়া হয়। পরে দোকান থেকে সোনা, রুপা ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যান তাঁরা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজীপুরের কোনাবাড়ী মধ্যপাড়া, পাংশা নারায়ণপুর শাখিন্দ দত্ত মার্কেট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার জায়ফুল ইসলাম লিটন, শহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ লাখ টাকা (মোট চুরি), ৩৩ লাখ টাকা (উদ্ধার করা সোনা), ২৫ ভরি সোনা, ২২০ ভরি রুপা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖