📌 রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডে ডিএনএ পরীক্ষায় আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। খেজুরের বিচি, শসার টুকরো ও গামছায় তাদের ডিএনএ শনাক্ত হয়। মামলার তদন্ত শেষ, এক মাসের মধ্যে অভিযোগপত্র দাখিল হবে
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডে ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল আসামিদের জড়িত থাকার প্রমাণ করে দিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামতের নমুনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ শনাক্ত হয়েছে। এতে খেজুরের বিচি, শসার টুকরো ও গামছায় তাদের পরিচয় পাওয়া গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত: খেজুরের বিচিতে মুগ্ধ দাসের, শসার টুকরায় সিদ্ধার্থ দাসের এবং গামছায় মুগ্ধ দাসের ডিএনএ পাওয়া গেছে।
- 📌 হত্যাকাণ্ডের কারণ: আসামিরা গণপতি চক্রবর্তীর ৫০-৬০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করার উদ্দেশ্যে পরিবারকে হত্যা করেছিল।
- 📌 হত্যার দায় স্বীকার: সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাস আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
- 📌 তদন্ত শেষ: মামলার তদন্ত সম্পন্ন, এক মাসের মধ্যে অভিযোগপত্র দাখিল হবে।
- 📌 ধর্ষণের কোনো প্রমাণ নেই: নিহত মা-মেয়ের শারীরিক পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
📰 বিস্তারিত
রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী (১২ বছর)কে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা ৩১ ধরনের নমুনা ঢাকার সিআইডি ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। এতে খেজুরের বিচি, শসার টুকরো, ফল কাটার ছুরি, ইয়াবা সেবনের ফয়েল, সিগারেটের শেষাংশ, বেসিনের দাগ ও আসামিদের রক্তের নমুনায় তাদের ডিএনএ শনাক্ত হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, গণপতি চক্রবর্তীকে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দুজনে মিলে হত্যা করেন। স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তীকে হত্যা করেন মুগ্ধ দাস, মেয়ে আগামী চক্রবর্তীকে হত্যা করেন সিদ্ধার্থ দাস এবং ১২ বছর বয়সী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীকে দুজন মিলে হত্যা করেন।
জিন্নাত আলী বলেন, আসামিরা গণপতি চক্রবর্তীর ৫০-৬০ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে তুলে বাড়িতে রাখা ও বাড়িতে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করার উদ্দেশ্যে পরিবারকে হত্যা করেছিল। তারা বাড়ির ছাদ দিয়ে প্রবেশ করে একে একে পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছিল।
মামলায় এলাকার ৫৬ জনের জবানবন্দি ও চারজন সাক্ষীর বক্তব্য বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাবলী নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া মা-মেয়ের ভ্যাজাইনাল সোয়াবের নমুনায় ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
"ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন, উদ্ধার হওয়া আলামত, আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও সাক্ষীদের বক্তব্য বিশ্লেষণে চার হত্যাকাণ্ডে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের জড়িত থাকারই প্রমাণ পাওয়া গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর নগর, মাছুয়াপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পরিদর্শক জিন্নাত আলী, সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস, গণপতি চক্রবর্তী, প্রীতিলতা চক্রবর্তী, আগামী চক্রবর্তী, আয়ুশ চক্রবর্তী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১টি নমুনা, ৫৬ জন জবানবন্দি, ৫০-৬০ লাখ টাকা, ১২ বছর বয়স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!