📌 রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় একটি সমবায় সমিতির পরিচালক মাহমুদুল হাসান সোহেল প্রায় ১৫ লাখ টাকা নিয়ে পলাতক হয়ে গেছেন। ১০০০ গ্রাহকের টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ভুক্তভোগীরা দায়ের করেছেন প্রতিবাদ।
রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় একটি সমবায় সমিতির পরিচালক মাহমুদুল হাসান সোহেল ‘ভিলেজ ভিজিটাল ব্যাংক’ নামে আমানত সংগ্রহের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১০০০ গ্রাহকের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা নিয়ে পলাতক হয়ে গেছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং দায়ের করেছেন প্রতিবাদ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুর পীরগাছা উপজেলার ‘হাসনা আলোর যাত্রী গ্রাম সার্বিক উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড’ পরিচালক মাহমুদুল হাসান সোহেল পলাতক হয়ে গেছেন
- 📌 প্রায় ১০০০ গ্রাহকের ১৫ লাখ টাকা নিয়ে সোহেল লাপাতক হন
- 📌 সমিতির ২৫ জন দলনেতা নিয়োগ করা হয়েছিল ‘ভিলেজ ভিজিটাল ব্যাংক’ প্রকল্পের আওতায়
- 📌 ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ঘটনায় নীরব ভূমিকা পালন করেছেন
- 📌 জেলা সমবায় কর্মকর্তা জাহিদুল হাসান বলেছেন, ঘটনাটি অডিট করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
রংপুর পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের দামুরচাকলা এলাকায় অবস্থিত ‘হাসনা আলোর যাত্রী গ্রাম সার্বিক উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড’ পরিচালক মাহমুদুল হাসান সোহেল ‘ভিলেজ ভিজিটাল ব্যাংক’ নামে একটি প্রকল্পের আওতায় ২৫ জন দলনেতা নিয়োগ করে। এই প্রকল্পের আওতায় দ্বিগুণ লাভের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করা হতো। সোহেলের স্ত্রীকে আটক করে গ্রাহকরা জানিয়েছেন, এক সপ্তাহ আগে প্রায় ১০০০ গ্রাহকের ১৫ লাখ টাকা নিয়ে সোহেল লাপাতক হয়ে গেছেন।
ভুক্তভোগী গ্রাহক জরিনা, হাসনা ও রাহেলা বেগম বলেছেন, ‘দ্বিগুণ লাভের আশায় আমরা টাকা জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু সোহেল সবকিছু নিয়ে পালিয়ে গেছেন।’ তারা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং টাকা ফেরত দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, এই প্রতারণায় উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জড়িত। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শারমিন আক্তারের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট বক্তব্য দেননি। জেলা সমবায় কর্মকর্তা জাহিদুল হাসান বলেছেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হবে। দায়ীদের বিরুদ্ধে সমবায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আগের ঘটনাগুলো আমার জানা নেই।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেছেন, ‘ভুক্তভোগীরা আমার কাছে এসেছিলেন। তাঁদের মামলা করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং আইনি সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।’
"দ্বিগুণ লাভের আশায় আমরা টাকা জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু সোহেল সবকিছু নিয়ে পালিয়ে গেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর পীরগাছা উপজেলা, দামুরচাকলা এলাকা, ইটাকুমারী ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদুল হাসান সোহেল, জাহিদুল হাসান, জরিনা, হাসনা ও রাহেলা বেগম, শারমিন আক্তার, জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০০ গ্রাহক, ১৫ লাখ টাকা, ২৫ জন দলনেতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!