📅 ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরের বদরগঞ্জে প্রকল্পের টাকা ভুয়া কাজে খরচ: ইউএনও ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে

রংপুরের বদরগঞ্জে প্রকল্পের টাকা ভুয়া কাজে খরচ: ইউএনও ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় ইউএনও আঞ্জুমান সুলতানা ও প্রকৌশলী হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে প্রকল্পের টাকা তুলে নেওয়ার সময় প্রকৃত কাজ না করা। ৩৭ লাখ টাকা ভুয়া বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তোলিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি প্রকল্পের টাকা ভুয়া কাজে খরচের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আঞ্জুমান সুলতানা ও উপজেলা প্রকৌশলী হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তারা প্রকল্পের টাকা তুলে নেওয়ার সময় প্রকৃত কাজ সম্পন্ন করেননি। বিশেষ করে এমপির বিশেষ বরাদ্দ ও উপজেলা উন্নয়ন তহবিলের আওতায় ২৭ লাখ টাকা ও ১০ লাখ টাকার প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না করেই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় ৩৭ লাখ টাকা ভুয়া প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তোলিত হয়েছে
  • 📌 ২৭ লাখ টাকার প্রকল্পে পাঁচটি রাস্তার এইচবিবিকরণ কাজ সম্পন্ন হয়নি
  • 📌 ১০ লাখ টাকার প্রকল্পে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্টিলের আলমারি সরবরাহ করা হয়নি
  • 📌 ২২টি ৩ লাখ টাকার প্রকল্পের কাজও সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ
  • 📌 প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ স্বীকার করেছেন ভুয়া ভাউচার দিয়ে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বদরগঞ্জ উপজেলায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) এর আওতায় ৯৮ লাখ ৬৪ হাজার টাকা, উপজেলা উন্নয়ন তহবিলের আওতায় ৮৯ লাখ টাকা এবং এমপির বিশেষ বরাদ্দে ৩৯ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। এই বরাদ্দের অধীনে ৪৩টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়, যার মধ্যে ২২টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রকৌশলী হারুন অর রশিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না করেই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

২৭ লাখ টাকার প্রকল্পে পাঁচটি রাস্তার এইচবিবিকরণ কাজ সম্পন্ন হয়নি। রাধানগর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের লালদীঘির বাজার থেকে দক্ষিণ দিকে আনিসুলের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা, গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীর মোড় থেকে মনো সরদারের ঈদগাহ মাঠ ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তা এবং দামোরদরপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ঢুকঢুকির হাইস্কুল মোড় থেকে সরদার পাড়ার রাস্তায় কোনো কাজের অস্তিত্ব নেই। এছাড়াও, ১০ লাখ টাকার প্রকল্পে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্টিলের আলমারি সরবরাহ করা হয়নি। শিক্ষকদের জানান, প্রকল্পের টাকা উত্তোলন হলেও প্রকৃত কাজ সম্পন্ন হয়নি।

উপজেলা প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ স্বীকার করেছেন যে, প্রকল্পের কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও প্রকৃত কাজ সম্পন্ন না করেই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কিছুই করার ছিল না।’ তবে প্রকৌশলী অফিসের দাবি, পাঁচটি রাস্তার মধ্যে একটি রাস্তার এইচবিবিকরণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে ঠিকাদারদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি তিনি।

"কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কিছুই করার ছিল না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আঞ্জুমান সুলতানা, প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭ লাখ টাকা (ভুয়া প্রকল্পের টাকা), ২৭ লাখ টাকা (রাস্তা প্রকল্প), ১০ লাখ টাকা (আলমারি প্রকল্প)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖