📌 ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার তদন্তভার নেয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। অডিওতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয় ও পুলিশের দুর্বলতা নিয়ে উসকানি দিয়েছিলেন তিনি
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) নেয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মামলাটি ক্যান্টনমেন্ট থানার তদন্ত থেকে ডিবিতে স্থানান্তরিত হয়। রাকিবুল হাসানকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তদন্ত নেয়া ডিবি: সাবেক ওসি রাকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার তদন্তভার নেয়া হয়েছে ডিবির গুলশান বিভাগে।
- 📌 অডিওতে উসকানি: রাকিবুল হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিওতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয় ও পুলিশের দুর্বলতা নিয়ে উসকানি দিয়েছিলেন।
- 📌 পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অভিযোগ: তিনি পুলিশের বিভিন্ন পদায়নে অর্থ লেনদেন ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন।
- 📌 চার-পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির জড়িত থাকার ধারণা: রাকিবুলের সঙ্গে চার-পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা যায়।
- 📌 ১৬ সেপ্টেম্বর অডিও ছড়িয়ে পড়ে: রাকিবুল হাসান ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর কথোপকথনের অডিও ছড়িয়ে পড়ে।
📰 বিস্তারিত
গতকাল ক্যান্টনমেন্ট থানার এক পরিদর্শক রাকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেন। এরপর রাকিবুল হাসানকে গ্রেপ্তার করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। সাবেক ওসি রাকিবুল হাসানকে গতকাল রাতেই ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ডিবি গুলশান বিভাগের উপকমিশনার আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে জানান, মামলার নথিপত্র বুঝে পেয়েছেন। তিনি বলেন, রাকিবুল হাসানকে গতকাল রাতেই ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বলা হয়, রাকিবুল হাসান পুলিশ, প্রশাসন ও সেনাবাহিনী সম্পর্কে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বক্তব্যটি রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। রাকিবুল হাসানের সঙ্গে চার-পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জড়িত থাকার ধারণা করা হচ্ছে।
১৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাকিবুল হাসান রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি থাকা অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর কথোপকথনের একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। অডিওতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয় ও পুলিশের দুর্বলতা নিয়ে রাকিবুল হাসানকে মন্তব্য করতে শোনা যায়। তিনি বলেছিলেন, ‘জানি যে শেখ হাসিনা ডিসেম্বর মাসে আসতেছে। কিচ্ছু হবে না আসলে, কিচ্ছু হবে না। আপনারা তো চিন্তা করতে পারছেন, রাস্তার পুলিশ কত দুর্বল। ভয়ানক দুর্বল। আসা উচিত। ডিসেম্বর দেরি হয়ে গেছে। এই মাসে আসা উচিত ছিল।’
অডিওতে রাকিবুল হাসান আরও বলেছিলেন, ‘সিনিয়র অফিসার সব বিএনপি করতেছে। আমরা তো বিএনপি করতেছি না। সব সিনিয়ররা বিএনপি করতেছে, আমরা বিএনপি করতেছি না। এই করার জন্য তো আমরা ডিপার্টমেন্টে আসি নাই। তোমরা খাবাদাবা নিয়ে থাকবা আর আমরা এখানে বসে বসে কাজ করব, তা তো হবে না।’
অডিওতে তিনি পুলিশের ওসি পদায়নে অর্থ লেনদেন এবং যোগ্য কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করে অযোগ্যদের পদায়ন দেওয়ার অভিযোগ করেন। তিনি বলেছিলেন, ‘এগুলো সহ্য করা যায়? আর কী বলব? যারা পোস্টিং পাইতেছে, তার (মনির) কাছে টাকা দিচ্ছে, সকালবেলা পোস্টিং হচ্ছে।’
"জানি যে শেখ হাসিনা ডিসেম্বর মাসে আসতেছে। কিচ্ছু হবে না আসলে, কিচ্ছু হবে না। আপনারা তো চিন্তা করতে পারছেন, রাস্তার পুলিশ কত দুর্বল। ভয়ানক দুর্বল। আসা উচিত। ডিসেম্বর দেরি হয়ে গেছে। এই মাসে আসা উচিত ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর, ক্যান্টনমেন্ট থানা, গুলশান (ডিবি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবেক ওসি রাকিবুল হাসান, উপকমিশনার আনোয়ার হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৮ সেপ্টেম্বর, চার-পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!