📌 টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় কোচিং করতে আসা ১৭ বছর বয়সী রাকিবুল ইসলামকে শুক্রাবাদে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। তার মরদেহ কার্টনে লুকিয়ে নীলফামারীতে মাটিচাপা দেওয়া হয়। অপহরণকারী মামুন সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
টাঙ্গাইল জেলার শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম (১৭) ঢাকায় কোচিং করতে আসার পর শুক্রাবাদে অপহরণ ও হত্যা করা হয়। তার মরদেহ কার্টনে লুকিয়ে নীলফামারীতে একটি সুপারিবাগানে মাটিচাপা দেওয়া হয়। পুলিশের তদন্তে অপহরণকারী মামুন সরকার (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় কোচিং করতে আসা ১৭ বছর বয়সী রাকিবুল ইসলামকে শুক্রাবাদে অপহরণ করে হত্যা করা হয়
- 📌 অপহরণকারী মামুন সরকার (২৪) রাকিবের পরিবারের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন
- 📌 রাকিবের মরদেহ কার্টনে ভরে নীলফামারীতে একটি সুপারিবাগানে মাটিচাপা দেওয়া হয়
- 📌 মামুন সরকারকে ৫ অক্টোবর শুক্রাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়
- 📌 পুলিশের তদন্তে রাকিবের মরদেহ ৬ অক্টোবর নীলফামারীতে উদ্ধার করা হয়
📰 বিস্তারিত
এইচএসসি পরীক্ষা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় আসেন রাকিবুল ইসলাম (১৭)। শেওড়াপাড়ার একটি মেসে থাকার পর তিনি পূর্বপরিচিত আবদুল্লাহ আল মামুন (২৫) নামের একজন ব্যক্তির ফোনে ডেকে পাঠানো হয়। পরে পুলিশের তদন্তে জানা যায়, রাকিবকে শুক্রাবাদের একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়। তারপর তার মরদেহ কার্টনে ভরে নীলফামারীতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং একটি সুপারিবাগানে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
মামুন রাকিবের পরিবারের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় রাকিবকে হত্যার হুমকি দেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা মুক্তিপণের টাকা পাঠানোর পরও রাকিব ফিরে আসেন না। এরপর রাকিবের বড় ভাই জহিরুল ইসলাম ঢাকায় এসে কাফরুল থানায় রাকিবের নিখোঁজ হওয়ার জিডি করেন।
পুলিশের তদন্তে জানা যায়, মামুন রাকিবের সঙ্গে অনলাইনে পরিচিত হয়েছিলেন। তিনি একটি মার্কেটিং কোম্পানিতে চাকরি করেন। রাকিব ঢাকায় আসার পর একাধিকবার তার বাসায় যান। সর্বশেষ ১৬ সেপ্টেম্বর রাকিব তার বাসায় গেলে তাকে মারধর করে হত্যা করেন। মামুন রাকিবের মরদেহ কার্টনে ভরে গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে নীলফামারীতে নিয়ে যান।
"রাকিবকে হত্যা করার পর মুক্তিপণের টাকা আদায় করতে মামুন নিজেই তার পরিবারের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করেন। কার্টনে ভরে নেওয়া মরদেহটি দেখতে মাটিচাপা দেওয়ার আগ পর্যন্ত কারও সন্দেহ হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (শুক্রাবাদ, শেওড়াপাড়া, কাফরুল থানা), নীলফামারী (ডিমলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাকিবুল ইসলাম (১৭), আবদুল্লাহ আল মামুন (২৫), জহিরুল ইসলাম, মহিদুল ইসলাম (পুলিশ কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ লাখ টাকা (মুক্তিপণ), ১৬ সেপ্টেম্বর (অপহরণ), ৫ অক্টোবর (মামুন গ্রেপ্তার), ৬ অক্টোবর (মরদেহ উদ্ধার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!