📌 রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে বিএনপি নেতারা তাঁর বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নিয়ে গেছেন। এছাড়াও জামায়াত, ছাত্রদল ও উলামা দলের নেতারা ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন। আরো দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতারা তাঁর বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নিয়ে গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় এই ঘটনা ঘটে। এছাড়াও জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রদল ও উলামা দলের নেতারা ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ হোসেনের উপস্থিতিতে উপাচার্যের কক্ষের তালা খোলা হয় এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে বিএনপি নেতারা তাঁর বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নিয়ে গেছেন।
- 📌 উপাচার্যের বাসায় বিএনপির নেতারা গত সকাল সাড়ে ১০টায় উপস্থিত হন, তাদের মধ্যে ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহসভাপতি জয়নাল আবেদিন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান জনি ও মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম।
- 📌 উপাচার্যের কক্ষের তালা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ হোসেনের উপস্থিতিতে খোলা হয় এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা আলামত সংগ্রহ করেন।
- 📌 জামায়াত, ছাত্রদল ও উলামা দলের নেতারা ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন।
- 📌 গ্রেপ্তার আরও দুজন: আলী আকবর হোসাইন (৩০) ও দেলোয়ার হোসেন।
- 📌 রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমান জানান, ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতারা তাঁর বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নিয়ে গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় এই ঘটনা ঘটে। বিএনপির নেতারা উপাচার্যকে তাঁর বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। এছাড়াও জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রদল ও উলামা দলের নেতারা ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ হোসেনের উপস্থিতিতে উপাচার্যের কক্ষের তালা খোলা হয়। কক্ষটি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা আলামত সংগ্রহ করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, তাঁদের মূল কাজ ছিল তালা খুলে কক্ষটি তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা।
গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ে উপাচার্যের কক্ষে ঢুকে তাঁকে একটি কাগজে সই করতে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠে। উপাচার্যের ভাষ্য, তাঁকে কাগজটি পড়তে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে সই না করলে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে তিনি সই করেন। পরে তাঁকে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়।
হেনস্তা করে পদত্যাগপত্রে সই করানোর মামলায় গ্রেপ্তার ৩ জনের মধ্যে নতুন করে গ্রেপ্তার দুজন হলেন রাজশাহী নগরের বহরমপুর মোড় এলাকার আলী আকবর হোসাইন (৩০) ও দেলোয়ার হোসেন। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র ও উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. গাজিউর রহমান বলেন, ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে।
"কয়েক দিন আগে ঘটে যাওয়া ওই অপ্রীতিকর ঘটনায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতা-কর্মীর নাম এসেছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁরা উপাচার্যকে বাসা থেকে নিয়ে তাঁর কার্যালয়ে পৌঁছে দিয়েছেন।"
"আমরা ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করেছি। তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী মহানগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক জাওয়াদুল হক (উপাচার্য), আরিফ হোসেন (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট), জয়নাল আবেদিন (বিএনপি সহসভাপতি), আসাদুজ্জামান জনি (স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক), শরিফুল ইসলাম (মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক), আলী আকবর হোসাইন (৩০), দেলোয়ার হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১:০০ (টার), ১০:৩০ (টার), ৩ জন (গ্রেপ্তার), ৫০-৬০ জন (অজ্ঞাতপরিচয় আসামি), ৩০ বছর (আলী আকবর হোসাইন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!