📌 রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানায় শুক্রবার সকালে এক ফ্ল্যাটে ষষ্ঠ স্ত্রীর দাবিতে দরজা ভাঙা হয়। সাবেক ওসি মাহবুব আলম ও তার সঙ্গী সানজিদা মৌকে পুলিশ আটক করে। আন্নি আক্তার নিজেকে মাহবুবের ষষ্ঠ স্ত্রী বলে দাবি করছেন
রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানায় শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এক ফ্ল্যাটে ষষ্ঠ স্ত্রীর দাবিতে দরজা ভাঙা হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে দরজা ভেঙে ভেতর থেকে সাবেক ওসি মাহবুব আলম ও এক নারীকে বের করে আনেন। পরে দু’জনকেই থানায় আটক করা হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও দরজা খোলা হয়নি বলে দাবি করেছেন আন্নি আক্তার, যিনি নিজেকে মাহবুবের ষষ্ঠ স্ত্রী বলে দাবি করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানার নাদের হাজির মোড়ে ফ্ল্যাটে ষষ্ঠ স্ত্রীর দাবিতে দরজা ভাঙা হয়।
- 📌 মাহবুব আলম (সাবেক ওসি, চন্দ্রিমা থানা) ও তার সঙ্গী সানজিদা মৌকে পুলিশ আটক করে।
- 📌 আন্নি আক্তার নিজেকে মাহবুবের ষষ্ঠ স্ত্রী বলে দাবি করছেন এবং দাবি করেন, চার দিন আগে মাহবুব তাকে তালাক দিয়েছেন।
- 📌 মাহবুব আলম দাবি করেন, সানজিদা মৌ তার স্ত্রী, কিন্তু বিয়ের কাবিনামা দেখাতে পারেননি।
- 📌 মাহবুব আলমের চাকরির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে; তিনি সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত থাকলেও নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত।
- 📌 আন্নি আক্তার লিখিত অভিযোগ দিতে চাইছেন এবং দাবি করেছেন, মাহবুবের একাধিক নারীর সাথে সম্পর্ক রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নওগাঁ থেকে রাজশাহী আসা আন্নি আক্তার দাবি করেন, আগের রাতে তিনি জানতে পারেন মাহবুব আলম ও সানজিদা মৌ নামের এক নারী এক ফ্ল্যাটে অবস্থান করছেন। তিনি দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন, কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও দরজা খোলা হয়নি বলে দাবি করেছেন আন্নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে দরজা ভেঙে ভেতর থেকে মাহবুব আলম ও সানজিদা মৌকে বের করে আনেন।
মাহবুব আলম দাবি করেছেন, আন্নিকে চার দিন আগে তিনি তালাক দিয়েছেন এবং তালাকের কাগজ পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন। তবে আন্নি জানিয়েছেন, তিনি তালাকের কোনো কাগজ পাননি। সানজিদা মৌ কোনো মন্তব্য করেননি। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাহবুব আলমের তালাকের কাগজ পুলিশের কাছে আছে। তবে আন্নির দাবি, মাহবুবের একাধিক নারীর সাথে সম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি নিজেকে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
মাহবুব আলমের চাকরির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি ২০২৪ সালে চন্দ্রিমা থানায় ওসি থাকাকালে এক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর প্রত্যাহার হন। পরে নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত থাকার সময় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোস্তাক আহমেদ জানান, মাহবুব আলমের কোনো ছুটি নেই এবং তিনি অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন। বিষয়টি নওগাঁ জেলা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
"আমি মাহবুব আলমের ষষ্ঠ স্ত্রী। তিনি আমাকে তালাক দিয়েছেন বলে দাবি করলেও আমি কোনো কাগজ পাইনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চন্দ্রিমা থানা, রাজশাহী নগরীর নাদের হাজির মোড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুব আলম (সাবেক ওসি), আন্নি আক্তার, সানজিদা মৌ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭:৩০ (সকাল), ১৮ (সেপ্টেম্বর), ৯৯৯ (ফোন নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!