📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজবাড়ীতে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণে যাবজ্জীবন: আসামিকে জরিমানা ও সন্তান স্বীকৃতি দেন আদালত

রাজবাড়ীতে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণে যাবজ্জীবন: আসামিকে জরিমানা ও সন্তান স্বীকৃতি দেন আদালত

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজবাড়ী জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ফারুক হোসেনকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং জন্মগ্রহণকারী শিশুকে তার সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আদালত আরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিশুর ভরণপোষণের দায়িত্ব সরকারের উপর

রাজবাড়ী জেলায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় আসামি ফারুক হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও জন্মগ্রহণকারী শিশুকে তার সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি এবং উত্তরাধিকারী হিসেবে তার সম্পত্তির অধিকার নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) রাজবাড়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. তহিদুল ইসলাম রায় ঘোষণা করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফারুক হোসেনকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 অনাদায়ে জরিমানার জন্য আরও এক বছরের কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
  • 📌 জন্মগ্রহণকারী পুত্রসন্তানকে ফারুক হোসেনের সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি এবং তার সম্পত্তির অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
  • 📌 শিশুর ২১ বছর বয়স পর্যন্ত ভরণপোষণের দায়িত্ব সরকার বহন করবে।
  • 📌 আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন রায় ঘোষণার সময়।

📰 বিস্তারিত

পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ৩০ মে রাতে এক নারীর বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, ফারুক এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যান ও প্রায় দুই মাস ধরে ধর্ষণ করেন। পরে ঢাকায় নিয়ে যান এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আবারও ধর্ষণ করেন। নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ফারুক বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। ২০১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর নারী কৌশলে বাড়িতে ফিরে আসেন এবং ঘটনাটি স্বজন ও সাক্ষীদের কাছে প্রকাশ করেন।

আদালতের নির্দেশে পাংশা থানায় মামলা নথিভুক্ত করা হয় এবং নারীকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায় তিনি ১০ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। পরবর্তীতে নারী একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট জাহিদ উদ্দিন মোল্লা জানান, দীর্ঘ শুনানির পর আদালত ফারুক হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিশুটির ২১ বছর বয়স পর্যন্ত ভরণপোষণের দায়িত্ব সরকার বহন করবে।

"দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রোববার দুপুরে ফারুক হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। জন্ম নেওয়া শিশুটিকে ফারুক হোসেনের সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন আদালত। শিশুটির উত্তরাধিকারী হিসেবে তার সম্পত্তির অধিকারও নিশ্চিত করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজবাড়ী জেলা, পাংশা উপজেলা, বাবুপাড়া এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারুক হোসেন, অ্যাডভোকেট জাহিদ উদ্দিন মোল্লা, নারী ও শিশু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ টাকা জরিমানা, ২১ বছর ভরণপোষণ, ১০ সপ্তাহ অন্তঃসত্ত্বা, ২০১৮ সালের ৩০ মে ও ২৯ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖