📌 রাজবাড়ী সদর উপজেলায় জমিজমা নিয়ে পূর্ববিরোধে রোহানকে হত্যা করে তার মরদেহ বস্তাবন্দী করে ফেলা হয়। পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে এবং হত্যাকাণ্ডের প্রমাণস্বরূপ ছুরি, গামছা, টি-শার্ট ও স্যান্ডেল উদ্ধার করেছে
রাজবাড়ী সদর উপজেলায় জমিজমা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে একজন ব্যক্তিকে হত্যা করে তার মরদেহ বস্তাবন্দী করে ফেলা হয়। পুলিশের তদন্তে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের প্রমাণস্বরূপ বিভিন্ন অস্ত্রোপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজবাড়ী সদর উপজেলায় রোহানকে হত্যা করে তার মরদেহ বস্তাবন্দী করে ফেলা হয়।
- 📌 পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে: ফিরোজ সরদার বাবু (৩৪), মো. রিয়াজ সরদার (২৩) ও মো. শরীফ (২৭)।
- 📌 হত্যাকাণ্ডের প্রমাণস্বরূপ ছুরি, গামছা, কালো টি-শার্ট ও রোহানের স্যান্ডেল উদ্ধার করা হয়েছে।
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রোহানের বাবা মো. ফরহাদ চৌধুরী রাজবাড়ী সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
- 📌 পুলিশের দাবি, জমিজমা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে রোহানকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়।
📰 বিস্তারিত
রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের পাকুড়িকান্দা গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে গত ৮ অক্টোবর বিকেল ৫টার দিকে রোহানের মরদেহ বস্তাবন্দী অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, রোহানের পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহের শ্বাসরোধের উদ্দেশ্যে গামছা ও টি-শার্ট দিয়ে তার শ্বাসরোধ করা হয় এবং পেটে ছুরিকাঘাত করে পানিতে ভেসে ওঠা ঠেকানো হয় বলে দাবি পুলিশ।
আজ শনিবার ভোরে পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার যৌথ দল দাদশী ইউনিয়ন ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন দুপুর ১টার দিকে জেলা পুলিশ সুপারের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের তথ্যের ভিত্তিতে ছুরি, গামছা, কালো টি-শার্ট ও রোহানের স্যান্ডেল উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে দাদশী ইউনিয়নের বক্তারপুর এলাকার ফিরোজ সরদার বাবু (৩৪), মো. রিয়াজ সরদার (২৩) এবং সমেসপুর এলাকার মো. শরীফ (২৭)। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে রোহান অজ্ঞাত এক ব্যক্তির ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পরদিন রোহানের পরিবার রাজবাড়ী সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করে।
"জমিজমা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে রোহানকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। গামছা ও টি-শার্ট দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ পানিতে ভেসে ওঠা ঠেকাতে পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়।"
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রোহানের নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর থেকেই সদর থানা-পুলিশ ও ডিবি যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি পুলিশের।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজবাড়ী সদর উপজেলা, দাদশী ইউনিয়ন, পাকুড়িকান্দা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর মনির হোসেন (পুলিশ সুপার), মো. ফরহাদ চৌধুরী (রোহানের বাবা), ফিরোজ সরদার বাবু (৩৪), মো. রিয়াজ সরদার (২৩), মো. শরীফ (২৭)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন গ্রেপ্তার, ৮ অক্টোবর মরদেহ উদ্ধার, ৫ অক্টোবর রোহান নিখোঁজ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!