📌 ঢাকা-১৪ আসনের এমপি মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) রাড্ডা হাসপাতাল ভাঙচুরে জড়িতদের গ্রেপ্তার না হলে ৭ দিনের মধ্যে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। জামায়াত নেতা বলেছেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তদের আটক করতে ব্যর্থ হচ্ছে
ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) রাড্ডা হাসপাতাল ভাঙচুরে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার না হলে ৭ দিনের মধ্যে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অভিযুক্তদের আটক করতে ব্যর্থ হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) রাড্ডা হাসপাতাল ভাঙচুরে জড়িতদের গ্রেপ্তার না হলে ৭ দিনের মধ্যে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন
- 📌 জামায়াত নেতা বলেছেন, পাপেল, লেলিন, শুভ্র, রাসেল ও সজীবসহ অভিযুক্তদের ৭ দিনের মধ্যে আইনের আওতায় আনতে হবে
- 📌 মানববন্ধনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেছেন, নাগরিক সমাজের তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে যদি সরকার ব্যর্থ হয়
- 📌 কর্মসূচিতে রাড্ডা ক্লিনিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, লুট হওয়া ওষুধ ও সরঞ্জাম উদ্ধার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রোববার বিকেলে মিরপুরের রাড্ডা সেন্টারের সামনে ‘ঢাকা-১৪ আসনের সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে মানববন্ধন আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মীর আহমাদ বিন কাসেম। তিনি বলেন, রাড্ডা হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাঁদের আশঙ্কা, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারছে না।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রাড্ডার স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা চালানোর পেছনে মদদদাতা রয়েছে। তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক পরিচয় অপরাধীদের আত্মরক্ষার ঢাল না হয়। সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে।
মানববন্ধনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মসূচি পরিচালিত হয়। বক্তব্য দেন মহানগর উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য শাহ আলম তুহিন, জামায়াত নেতা মঈন উদ্দিন, মনিরুল ইসলাম মৃধা, জি এম হাফিজুর রহমান প্রমুখ। তারা রাড্ডা–এমসিএইচ–এফপি ক্লিনিকের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, লুট হওয়া ওষুধ ও সরঞ্জাম উদ্ধার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
"মিরপুরে সুলভ মূল্যে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অন্যতম প্রতিষ্ঠান রাড্ডা হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাঁদের আশঙ্কা, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান), মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, মাহফুজুর রহমান, শাহ আলম তুহিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ দিন, ঢাকা-১৪ আসন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!