📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি: চার আসামির রিমান্ডে আদালতের সিদ্ধান্ত

রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি: চার আসামির রিমান্ডে আদালতের সিদ্ধান্ত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির দেয়ালে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় চার আসামিকে পৃথক মেয়াদে রিমান্ডে পাঠিয়েছে ঢাকার আদালত। তাদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঢাকার সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার করা চার আসামির মধ্যে তিনজনকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। অন্য দুজন আসামিকে দুই দিনের রিমান্ডে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও ধর্মীয় অনুভূতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিরোধ সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আয়াশসহ চার আসামিকে পৃথক মেয়াদে রিমান্ডে পাঠিয়েছে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত। আয়াশ ও মো. সাকিবুল হাসান (১৯) তিন দিনের রিমান্ডে, মো. সুজন মিয়া (১৮) ও খন্দকার মারজিয়া খন্দকার (২৭) দুই দিনের রিমান্ডে রাখা হয়েছে।
  • 📌 রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেছেন, আসামিদের এই কার্যক্রম সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা। তারা ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করছে।
  • 📌 মারজিয়া রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি লাগিয়ে দিলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে উসকানি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
  • 📌 আয়াশ রাজনৈতিক দলের সভাপতি। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় আলোচিত।
  • 📌 পুলিশ তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল গাফফার আদালতে প্রত্যেক আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন।

📰 বিস্তারিত

গত ১০ অক্টোবর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াশসহ চারজন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দিতে যান। পুলিশ তাদের আটক করে এবং মামলা দায়ের করে। আদালতে শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, আসামিদের এই কাজ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা। তারা বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে বক্তব্য দিচ্ছে এবং মোবাইল মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তিনি আরও বলেন, এদের লক্ষ্য ভাইরাল হওয়া। এজন্য তারা এলোপাতাড়িভাবে গালাগালি করে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, ১ নম্বর আসামি আয়াশ রাজনৈতিক দলের সভাপতি। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে ‘মুকুট’ বলে উল্লেখ করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী জবাব দেন, ‘সবাই জুলাই যোদ্ধা। জুলাই যোদ্ধা বলে কি সকল অপরাধ ক্ষমা হয়ে যাবে?’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি এই আদালতের পিপি। তাই বলে কি আমি সব কিছু করতে পারব?’

মারজিয়া খন্দকার (২৭) রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতির মুখে কালি লাগিয়ে দিলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে উসকানি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘একটা উসকানি দিলো। সরকারের কাজ দেশে উন্নয়ন করা। আর তাদের কাজ হচ্ছে উন্নয়নে বাধা দেয়া।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল গাফফার আদালতে প্রত্যেক আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত শুনানি শেষে আসামিদের পৃথক মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

"আসামিদের এই কার্যক্রম সরকারের বিরুদ্ধে একপ্রকার যুদ্ধ ঘোষণা করা। তারা বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে বক্তব্য দিচ্ছে। আমাদের যে সম্প্রীতির সংস্কৃতি, সেটা তারা বিনষ্ট করছে।"
"মবের’ মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তাদের পেছনে একটা চক্র আছে। তাদের সাথে আর কারা কারা জড়িত আছে, তা জানার জন্য রিমান্ড প্রয়োজন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার সেগুনবাগিচা, শিল্পকলা একাডেমির দেয়াল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আল নূর মোহাম্মদ আয়াশ, মো. সাকিবুল হাসান (১৯), মো. সুজন মিয়া (১৮), খন্দকার মারজিয়া খন্দকার (২৭), ওমর ফারুক ফারুকী, আব্দুল গাফফার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দিনের রিমান্ড (আয়াশ ও সাকিবুল), ২ দিনের রিমান্ড (সুজন ও মারজিয়া), ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া (প্রত্যেকের), ১০ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ৫ অক্টোবর (ফুটপাত দখলমুক্ত করা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖