📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা নাফিউল ইসলাম জীবন নিজে মাদ্রাসায় ক্লাস না দিয়ে আপন মামাকে প্রক্সি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন এবং নিজে বেতন পাচ্ছেন। মাদ্রাসার অধ্যক্ষের স্বীকারোক্তি ও ইউএনওর তদন্তের কথা জানা গেছে
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার একটি আলিম মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকলেও নিজে ক্লাস না দিয়ে প্রক্সি শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে বেতন পাচ্ছেন একজন রাবি ছাত্রদল নেতা। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা নাফিউল ইসলাম জীবন, যিনি নিজের পরিবর্তে আপন মামাকে ক্লাস করিয়ে বেতনের অর্ধেক নিজে রাখছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাফিউল ইসলাম জীবন (রাবি ছাত্রদল দপ্তর সম্পাদক) নিজে ক্লাস না দিয়ে প্রক্সি শিক্ষক আসমত আলী (আপন মামা) দিয়ে মাদ্রাসায় পাঠদান করাচ্ছেন
- 📌 বেতনের অর্ধেক নিজে রাখছেন নাফিউল ইসলাম জীবন, বাকি অর্ধেক প্রক্সি শিক্ষককে দেন
- 📌 মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বজলুল করীম স্বীকার করেছেন যে, মাস্টার্স শেষ না হওয়ার অজুহাতে প্রক্সি শিক্ষক নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হলেও তা নিয়মের বাইরে
- 📌 বাঘা উপজেলার ইউএনও মো. তকী ফয়সাল তালুকদার জানান, প্রক্সি শিক্ষক নিয়োগের কোনো নিয়ম নেই এবং বিষয়টি তদন্তের পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- 📌 ২০২৫ সালের রাকসু নির্বাচনে নাফিউল ইসলাম জীবন ছাত্রদলের প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন
📰 বিস্তারিত
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পারসওতা হযরত শাহ সুফি বাঘু দেওয়ান (রহ.) আলিম মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন নাফিউল ইসলাম জীবন। তবে তিনি নিজে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত না হয়ে প্রক্সি শিক্ষক হিসেবে আপন মামা আসমত আলীকে ক্লাস করিয়ে দিচ্ছেন। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বজলুল করীম জানান, মাস্টার্স শেষ না হওয়ার অজুহাতে তিনি বিকল্প শিক্ষক নিয়োগের অনুমতি চেয়েছিলেন। তবে নিয়মের বাইরে হলেও পরিচালনা কমিটি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বাধা না দিয়েছে।
নাফিউল ইসলাম জীবন স্বীকার করেছেন যে, তিনি মাস্টার্স শেষ না হওয়ার কারণে এবং রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে প্রক্সি শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রক্সি শিক্ষককে বেতনের অর্ধেক দেন এবং বাকি অর্ধেক নিজে রাখেন। তিনি আরও স্বীকার করেছেন যে, প্রক্সি শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি পুরোপুরি বৈধ নয় এবং তা গোপনের চেষ্টা করেছিলেন।
বাঘা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তকী ফয়সাল তালুকদার জানান, প্রক্সি শিক্ষক নিয়োগের কোনো নিয়ম নেই। তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
"মাস্টার্স শেষ না হওয়া এবং রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে প্রিন্সিপালের সাথে কথা বলে তিনি বিকল্প উপায়ে মামাকে দিয়ে ক্লাস করাচ্ছেন। প্রক্সি দেওয়ার বিনিময়ে প্রাপ্ত বেতনের অর্ধেক টাকা তিনি মামাকে দেন এবং বাকি অর্ধেক নিজে রাখেন। বিষয়টি পুরোপুরি বৈধ নয় এবং তা গোপনের চেষ্টা করেছিলেন বলেও তিনি স্বীকার করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাঘা উপজেলা, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাফিউল ইসলাম জীবন, আসমত আলী, মোহাম্মদ বজলুল করীম, মো. তকী ফয়সাল তালুকদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৭-১৮ (শিক্ষার্থী সেশন), ২০২৫ (রাকসু নির্বাচন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!