📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিমানবন্দর এলাকায় ভাড়াটে ডাকাতির চক্র: ইউরোপ থেকে দেশে ফিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাকে লুটপাট

বিমানবন্দর এলাকায় ভাড়াটে ডাকাতির চক্র: ইউরোপ থেকে দেশে ফিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাকে লুটপাট

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় পেশাদার ভাড়াটে ডাকাতির একটি চক্র সক্রিয়। ইউরোপ থেকে দেশে ফিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাকে লুটপাট করে তারা দ্রুত বিদেশে চলে যায়। পুলিশের তথ্য মতে, এই চক্রের সদস্যরা পাঁচ থেকে কোটি টাকার মধ্যে লুট করে

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে একটি পেশাদার ভাড়াটে ডাকাতির চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই চক্রের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে লক্ষ্যবস্তুকে গাড়ি থেকে নামিয়ে হাতকড়া পরিয়ে লুটপাট করে। ডাকাতির পর তারা দ্রুত ঢাকা ছেড়ে বিদেশে বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে চলে যায়। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রের সদস্যরা পেশাদার ডাকাত এবং তাদের অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাবনার চাটমোহর থানার মো. শহিদুল ইসলাম (৪৩) শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় ভাড়ায় ডাকাতি করে থাকেন। তার বিরুদ্ধে ঢাকার সাভার, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় মোট পাঁচটি ডাকাতির মামলা রয়েছে।
  • 📌 বরিশালের খানপুরের মো. জলিল মোল্লা (ওরফে ডালিম) সারা দেশে পাঁচটি ডাকাতির মামলায় জড়িত। তার মধ্যে রয়েছে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, ডিএমপির ধানমন্ডি ও মিরপুর মডেল থানার মামলা।
  • 📌 ফ্রান্সের বাসিন্দা সৈয়দ নাসির উদ্দিন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চোরাই পথে ডাকাতি করে। তার সঙ্গে থাকেন শ্যালক শামীমসহ ভাড়াটে ডাকাতরা।
  • 📌 গত ২৩ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় মোহাম্মদ রিয়াজের ১৫ লাখ টাকা লুটে নেয়া হয়েছিল। পুলিশের তথ্য মতে, এই ডাকাতির পেছনে রতন চৌধুরী ওরফে ডালিমের মাফিয়া জড়িত।
  • 📌 ডাকাতির চক্রগুলো পাঁচ থেকে দশ লাখ টাকার বিনিময়ে ভাড়ায় ডাকাতি করে। তবে বিমানবন্দর দিয়ে চোরাচালান করে আসা স্বর্ণের বড় চালান ডাকাতিতে কোটি টাকা পর্যন্ত লুট করে।

📰 বিস্তারিত

শাহজালাল বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকায় ডাকাতির একটি পেশাদার চক্র সক্রিয়। এই চক্রের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাক, হাতকড়া, ওয়াকিটকি সহ সবকিছু ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তুকে আক্রমণ করে। তারা ডাকাতির পর দ্রুত ঢাকা ছেড়ে চলে যায় বিদেশে বা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রের সদস্যরা পেশাদার ডাকাত এবং তাদের অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

পাবনার চাটমোহর থানার মো. শহিদুল ইসলাম (৪৩) এই চক্রের একজন প্রধান সদস্য। তিনি সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ‘মেসার্স কৃষি ভান্ডার’ নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। কিন্তু বাস্তবে তিনি একজন দুর্ধর্ষ ডাকাত। তার বিরুদ্ধে ঢাকার সাভার, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় মোট পাঁচটি ডাকাতির মামলা রয়েছে। শহিদুলের সঙ্গে আরও ছয় থেকে সাতজন ডাকাত জড়িত। তারা শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় ভাড়ায় ডাকাতি করে।

বরিশালের খানপুরের মো. জলিল মোল্লা (ওরফে ডালিম)ও এই চক্রের অন্যতম সদস্য। তার বিরুদ্ধে সারা দেশে পাঁচটি ডাকাতির মামলা রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, ডিএমপির ধানমন্ডি ও মিরপুর মডেল থানার মামলা।

ফ্রান্সের বাসিন্দা সৈয়দ নাসির উদ্দিন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চোরাই পথে ডাকাতি করে। তিনি ফ্রান্স থেকে ভারতে আসেন বিমানে, তারপর চোরাই পথে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ডাকাতি করেন। তার সঙ্গে থাকেন শ্যালক শামীমসহ ভাড়াটে ডাকাতরা। ডাকাতি শেষে তিনি একই রুটে ফের ফ্রান্সে চলে যান।

২০২৪ সালের ৬ এপ্রিল ভোরে সিঙ্গাপুর যাওয়ার উদ্দেশে বিমানবন্দরে পৌঁছান কুষ্টিয়ার মো. রাশেদুল ইসলাম। ফ্লাইটের আগে আনুষঙ্গিক কাজ সারতে তিনি ‘ওভারসিজ ট্রেনিং সেন্টার’-এর উদ্দেশে একটি বাসে ওঠেন। বাসের দরজা লক করে যাত্রীবেশে থাকা ৫-৬ জন ডাকাত তার চোখ-মুখ বেঁধে মারধর করে। সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে তাকে এমইএস ফ্লাইওভারসংলগ্ন জসিমউদ্দীন গোলচত্বরে নামিয়ে দেওয়া হয়।

"বিমানবন্দরসহ উত্তরা এলাকায় অপরাধ সংঘটিত করেই অপরাধীরা দ্রুত ঢাকার বাইরে চলে যায়। অনেক কষ্টে তাদের গ্রেফতার করলে অল্প সময়ে তারা জামিনে বের হয়ে ফের অপরাধে জড়াচ্ছে। তবে আমাদের তৎপরতা অব্যাহত থাকায় ডাকাতি অনেকাংশে কমেছে।"

— ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ইলিয়াস কবির

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা, পাবনা, বরিশাল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, উত্তরা পশ্চিম, কুষ্টিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শহিদুল ইসলাম (৪৩), মো. জলিল মোল্লা (ওরফে ডালিম), সৈয়দ নাসির উদ্দিন, মোহাম্মদ রিয়াজ, রতন চৌধুরী ওরফে ডালিম, মো. ইলিয়াস কবির
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৩ বছর (শহিদুল ইসলাম), ১৫ লাখ টাকা (লুট করা), ৫টি মামলা (জলিল মোল্লা), ৬ জন ডাকাত (বাসে আক্রমণকারী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖