📌 পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা নারী তানিয়া বেগমকে মারধর করে পেটে লাথি মারা হয়। গর্ভপাতের পর সন্তান মারা যায়। প্রধান আসামি সোহাগ শিকদারকে বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা নারী তানিয়া বেগমকে মারধর করে পেটে লাথি মারা হয়। মারধরের পর গর্ভপাত হয় এবং সাত মাসের গর্ভের সন্তান মারা যায়। এই ঘটনায় প্রধান আসামি মো. সোহাগ শিকদারকে বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানায় গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পেটে লাথি মারায় অন্তঃসত্ত্বা নারী তানিয়া বেগমের গর্ভপাত হয় এবং সাত মাসের সন্তান মারা যায়
- 📌 প্রধান আসামি সোহাগ শিকদারকে বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 মারধরের সময় তানিয়া বেগমের পেটে লাথি মারা হয় এবং ১ লাখ ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়
- 📌 মামলায় সোহাগ শিকদারসহ ছয়জন আসামি এবং তিনজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত
📰 বিস্তারিত
গত ২৬ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার চাকামইয়া গ্রামে তানিয়া বেগম ও তাঁর স্বামীকে লোহার রড, কাঠের বাটাম ও ইট দিয়ে মারধর করা হয়। মারধরের এক পর্যায়ে তানিয়া বেগমের পেটে লাথি মারা হয়। এছাড়াও, দুর্বৃত্তরা ১ লাখ ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং ভুক্তভোগীকে প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে।
মারধরের পর তানিয়া বেগম হাসপাতালে গেলে গর্ভপাত হয়। পরে সাত মাসের গর্ভের সন্তানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু সন্তানটি মারা যায়। ঘটনাস্থলে তানিয়া বেগম বাদী হয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর কলাপাড়া থানায় মামলা করেন।
এসআরবি-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প ও বরিশালের সদর কোম্পানির যৌথ দল অভিযান চালিয়ে সোহাগ শিকদারকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাকেরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ গণ।
"মামলায় সোহাগ শিকদারসহ ছয়জন আসামি এবং তিনজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত। এসআরবি-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প ও বরিশালের সদর কোম্পানির যৌথ দল অভিযান চালিয়ে সোহাগ শিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা, চাকামইয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সোহাগ শিকদার, তানিয়া বেগম, স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ গণ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ৫ হাজার টাকা (ছিনিয়ে নেওয়া), ২৬ সেপ্টেম্বর (ঘটনা), ২৮ সেপ্টেম্বর (মামলা দায়ের), ৭০টি (মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!