📌 খিলক্ষেতে নদী ভরাটের অভিযোগে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ম্যানেজারকে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বালু পরিবহনে জড়িত দু’জনকে এক বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালত জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে
খিলক্ষেতের নদী ভরাট মামলায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ম্যানেজার (অ্যাডমিন) মো. ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বালু পরিবহনে ব্যবহৃত প্রতিষ্ঠানের মালিক মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলম নাহিদকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত এ রায় ঘোষণা করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ম্যানেজার (ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহান)কে **৩ বছরের কারাদণ্ড** এবং **১০ হাজার টাকা জরিমানা** দেওয়া হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের **১ মাস করে কারারহিতি** থাকবে।
- 📌 বালু পরিবহনে জড়িত মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলম নাহিদকে **১ বছরের কারাদণ্ড** এবং **৫ হাজার টাকা জরিমানা** করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের **১৫ দিন করে কারারহিতি** থাকবে।
- 📌 চার আসামির কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। আদালত তাদের **জামিন বাতিল** করে **সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা** জারি করেছে।
- 📌 **২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর** খিলক্ষেত থানার পাতিরা মৌজায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের **১২ হাজার বর্গফুট নদী ভরাট**ের ঘটনা উন্মোচিত হয়।
- 📌 **টঙ্গী নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম** মামলা করেন। ২০২২ সালের ৩১ মে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় এবং ২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট অভিযোগ গঠন করা হয়।
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন জানান, নদী ভরাটের মামলায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ম্যানেজারকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বালু পরিবহনে সরঞ্জাম সরবরাহের কাজে জড়িত দু’জন আসামিকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার বিচারকাজে রাষ্ট্রপক্ষের আটজন সাক্ষীর মধ্যে তিনজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল। পরে আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, **২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর** বিআইডব্লিউটিএ ও পুলিশের কর্মকর্তারা খিলক্ষেত থানার পাতিরা মৌজায় বালু নদী পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের **১২ হাজার বর্গফুট নদীর তীরভূমি ও নদীগর্ভ বালু দিয়ে ভরাট** করার বিষয়টি উন্মোচিত হয়। টঙ্গী নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম ওই দিনই খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন।
তদন্ত শেষে **২০২২ সালের ৩১ মে** চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে **২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট** আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচারকাজে রাষ্ট্রপক্ষের তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত এ রায় দেন।
"নদী ভরাটের মামলায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ম্যানেজারকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর বালু পরিবহনে সরঞ্জাম সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত অপর দুই আসামিকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।"
— রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খিলক্ষেত, ঢাকা (পাতিরা মৌজা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফয়সাল মাহমুদ, সরওয়ার জাহান, মুক্তার হোসেন, নাজমুল আলম নাহিদ, রেজাউল করিম, মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ বছর (কারাদণ্ড), ১০ হাজার টাকা (জরিমানা), ১ মাস (কারারহিতি), ১ বছর (কারাদণ্ড), ৫ হাজার টাকা (জরিমানা), ১৫ দিন (কারারহিতি), ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১২ হাজার বর্গফুট, ৩১ মে ২০২২, ১৬ আগস্ট ২০২৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!