📌 দুদক মামলায় হাজিরা শেষে কারাগারে যাওয়ার সময় হাতকড়া পরা হাত উঁচিয়ে বললেন জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি দাবি করেছেন, কারাগারে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতন চলছে এবং জামিন না দেওয়ায় ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মামলায় অভিযোগ: ৬০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক সম্পদ ও লেনদেন
দুদক মামলায় হাজিরা শেষে কারাগারে যাওয়ার সময় হাতকড়া পরা হাত উঁচিয়ে বললেন সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বললেন, ‘জং ধরা হ্যান্ডকাফে রক্তাক্ত হাত’। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে তার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে দুদক প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। ফলে আদালত পরবর্তী দিন ২৩ নভেম্বর প্রতিবেদন জমার তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে কারাগারে যাওয়ার সময় পলক বললেন, ‘জং ধরা হ্যান্ডকাফে রক্তাক্ত হাত’ এবং ভি চিহ্ন দেখিয়ে দাবি করেছেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়া।
- 📌 ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মামলা করেন। অভিযোগ: ৮ কোটি ৭৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪২ টাকা সম্পদ অর্জন ও ৬২ কোটি টাকার অস্বাভাবিক ব্যাংক লেনদেন।
- 📌 ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট সরকার পতনের পর পলককে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক আছেন এবং তরিকুল ইসলাম বলেন, তাকে নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে।
- 📌 ২৫টি ব্যাংক হিসাব থেকে মোট ৩২ কোটি ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৩১৪ টাকা জমা এবং ২৯ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার ৯৫ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
📰 বিস্তারিত
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে জুনাইদ আহমেদ পলকের দুর্নীতি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। ফলে আদালত পরবর্তী দিন ২৩ নভেম্বর প্রতিবেদন জমার তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছে। হাজিরা শেষে আদালতের হাজতখানা থেকে প্রিজনভ্যানে করে কারাগারে নেওয়ার সময় পলক দুই হাত উঁচিয়ে দেখিয়ে বলেন, ‘জং ধরা হ্যান্ডকাফে রক্তাক্ত হাত’। এ সময় তিনি ভি চিহ্ন দেখান।
পলকের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পলক কারাগারে রয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে এবং নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হচ্ছে। তাকে জামিন দেওয়া হচ্ছে না এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলে দাবি করেন আইনজীবী। তিনি আরও বলেন, ‘জং ধরা হ্যান্ডকাফে রক্তাক্ত হাত’ এ কথা বলে পলক বোঝাতে চেয়েছেন যে, তিনি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বিত ঢাকা জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, জুনাইদ আহমেদ পলক অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ আট কোটি ৭৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪২ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখলে রেখেছেন। এছাড়া নিজের নামে থাকা ২৫টি ব্যাংক হিসাব থেকে মোট ৩২ কোটি চার লাখ ৯৫ হাজার ৩১৪ টাকা জমা এবং ২৯ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার ৯৫ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এসব লেনদেনের মাধ্যমে ঘুস ও দুর্নীতির অর্থ মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধ করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
"জং ধরা হ্যান্ডকাফে রক্তাক্ত হাত" — জুনাইদ আহমেদ পলক, কারাগারে যাওয়ার সময়
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুনাইদ আহমেদ পলক, তরিকুল ইসলাম, মো. মোস্তাফিজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ কোটি ৭৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪২ টাকা, ২৫টি ব্যাংক হিসাব, ৩২ কোটি ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৩১৪ টাকা, ২৯ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার ৯৫ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!