📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পুলিশের গুলিতে শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকত: সাবরিনা আফরোজ সেবন্তীর বিস্তারিত সাক্ষ্য আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে

পুলিশের গুলিতে শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকত: সাবরিনা আফরোজ সেবন্তীর বিস্তারিত সাক্ষ্য আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জুলাই ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের সময় মোহাম্মদপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত মাহামুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি জানান, ভাইয়ের শেষ কথা ছিল ‘একটু পরে বাসায় যাবো’—এরপরই পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যু হয়। সাক্ষ্য গ্রহণে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিচারপতি মো: গোলাম মর্তূজা মজুমদার

মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডে পুলিশের গুলিতে শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর প্যানেলে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনার পেছনের ঘটনাবলী। সাক্ষ্য গ্রহণের সময় তিনি জানান, ভাইয়ের সাথে শেষ কথোপকথন হয়েছিল বেলা ৩টা ২৬ মিনিটে। সেই ‘একটু পরে’ আর আসেনি। সৈকতের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পরিবার হাসপাতালে ছুটে যায়, কিন্তু লাশ পাওয়ার আগেই পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যু ঘটে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাহামুদুর রহমান সৈকত ১৯ জুলাই ২০২৪ মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডে পুলিশের গুলিতে নিহত হন। তার বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
  • 📌 সৈকতের বাবা ফোনে এক সহযোদ্ধার কণ্ঠে শুনেন: ‘এই ফোনটি যার, সে পুলিশের গুলিতে মারা গেছে’।
  • 📌 সাক্ষ্য অনুযায়ী, সৈকত ১৮ জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু মা তাকে বাধা দেন। পরদিন তিনি পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।
  • 📌 সাক্ষ্য গ্রহণে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিচারপতি মো: গোলাম মর্তূজা মজুমদার। মামলায় ২৮ আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
  • 📌 মামলায় অভিযোগ: ১৮ ও ১৯ জুলাই ২০২৪ ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যা করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী তার জবানবন্দীতে জানান, ভাই মাহামুদুর রহমান সৈকত ১৮ জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিতে চেয়েছিলেন। ওই দিন তার মা তাকে বাধা দেন। সৈকতের মতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তন্নীকে ছাত্রলীগ নির্যাতন করেছে এমন দাবি করে তার রক্তাক্ত ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় তিনি আরো ব্যাকুল হয়ে পড়েন। সৈকত নিজেও একজন ছাত্র ছিলেন এবং আন্দোলনটিকে ‘যৌক্তিক কোটাবিরোধী আন্দোলন’ হিসেবে মনে করতেন। ওই দিন বিকেলে মাকে না জানিয়ে বন্ধু মো: আরাফাত হোসেনের সাথে আন্দোলনে যোগ দিতে বাসা থেকে বের হন সৈকত।

১৯ জুলাই ২০২৪ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে সৈকত নূরজাহান রোডে আন্দোলনে যোগ দিতে বের হন। তার মা বারবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরছিলেন না। শেষ কথোপকথন হয় বেলা ৩টা ২৬ মিনিটে। সেবন্তী বলেন, তিনি ভাইকে ধমক দিয়ে বাসায় ফিরে আসতে বলেন। সৈকত জবাব দেন, ‘একটু পরে বাসায় যাবো’। এরপরই পরিবার পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যুর খবর পান। সৈকতের বাবা ফোনে একজন সহযোদ্ধার কণ্ঠে শুনেন: ‘এই ফোনটি যার, সে পুলিশের গুলিতে মারা গেছে’।

সাক্ষী হিসেবে সেবন্তী বলেন, পুলিশ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছিল। সৈকতের মা তাকে ধমক দিয়ে বাসায় ফিরে আসতে বলেন। সৈকত সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে আসেন, কিন্তু পরদিন তিনি আর ফিরে আসেননি। সেবন্তী জানান, ওই রাতেই ফেসবুকে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের খালার একটি পোস্ট ভাইরাল হয়। সেখানে ফারহান ফাইয়াজ গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছেন বলে লেখা ছিল। ওই পোস্ট দেখে সৈকত আরো আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

"এই ফোনটি যার, সে পুলিশের গুলিতে মারা গেছে, আপনারা দ্রুত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে যান, অন্যথায় লাশও পাবেন না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মোহাম্মদপুর, নূরজাহান রোড), ধানমন্ডি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী, মাহামুদুর রহমান সৈকত, বিচারপতি মো: গোলাম মর্তূজা মজুমদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩:২৬ (বেলা), ১৮ ও ১৯ জুলাই ২০২৪, ২৮ আসামি, ৯ জন নিহত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖