📌 ঢাকার খিলক্ষেতে অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের বাড়িতে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে মাদক ও অবৈধ পার্টির রহস্য উন্মোচিত হয়। ৫ আগস্টের পর সিসি ক্যামেরার খোলার পরও অবৈধ কর্মকাণ্ড চলত। ২২টি বিলাসবহুল গাড়ি ও মাদক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়
ঢাকার খিলক্ষেতে অবস্থিত পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটির ৪ নম্বর সেক্টরে অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের বাড়িতে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে মাদক সেবন ও অবৈধ পার্টির রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির প্রধান ফটকে তালা লাগানো হয়েছে এবং পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, এই বাড়িতে মাসে ২০ থেকে ২২ দিন ধরে উচ্চ শব্দে গানবাজনা ও অবৈধ পার্টি চলত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের বাড়িতে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ২২টি বিলাসবহুল গাড়ি বুঝিয়ে দিতে হয়।
- 📌 বাড়িতে মাদক সেবনের সরঞ্জাম, ইয়াবা ও গাঁজাসদৃশ মাদক উদ্ধার করা হয়।
- 📌 ৫ আগস্টের পর সিসি ক্যামেরার খোলার পরও অবৈধ কর্মকাণ্ড চলত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
- 📌 বাড়িটি ভাড়া দেওয়ার জন্য এয়ারবিএনবি ও ট্রাভেলা প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হতো। প্রতি মাসে ২০ থেকে ২২টি পার্টি হতো।
- 📌 পার্টিতে অংশ নেওয়ার জন্য অনলাইনে ৫-৬ হাজার টাকা বুকিং করতে হতো।
📰 বিস্তারিত
পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি-১-এর ৪ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত তিনতলা বাড়িটি আব্দুল্লাহ আল জহিরের। বাড়ির প্রধান ফটকের পিলারে ‘গোল্ডেন সানরাইজ’ লেখা থাকলেও বাড়ির মালিকের নাম-পরিচয় কোথাও উল্লেখ নেই। বাড়ির চারপাশ উঁচু দেয়াল ও কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘেরা। বাড়ির সামনে ২২টি বিলাসবহুল গাড়ি পড়ে থাকত, যা গতকাল বিকেলে মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ সোহরাব আল হোসাইন জানান, ডিবি পুলিশ গাড়িগুলো মালিকদের বুঝিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি কিছু জানি না’। স্থানীয়রা জানান, বাড়ির আশপাশে পুলিশ ফাঁড়ি থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ কর্মকাণ্ড চলত। স্থানীয়রা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সিসি ক্যামেরার খোলার পরও অবৈধ কর্মকাণ্ড চলত বলে মনে হয়।
গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে বাড়িতে মাদক সেবনের সরঞ্জাম, ইয়াবা ও গাঁজাসদৃশ মাদক উদ্ধার করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম জানান, বাড়িটির মালিক আব্দুল্লাহ আল জহির সেটি ভাড়া দিতেন। তিনি বলেন, ‘বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও অবৈধ পার্টি চলত’।
"বাড়িটির মালিক আব্দুল্লাহ আল জহির সেটি ভাড়া দিতেন। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও অবৈধ ডিজে পার্টি চলার অভিযোগে অভিযান চালানো হয়।"
অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তরুণ-তরুণীরা কক্ষ বুকিং করে এসব পার্টিতে অংশ নিতেন। পার্টিতে অংশ নেওয়ার জন্য প্রতি মাসে ৫-৬ হাজার টাকা বুকিং করতে হতো। স্থানীয় কর্মচারী জানান, মাসে দুবার প্লট পরিষ্কার করা হতো, কিন্তু সন্ধ্যায় উচ্চ শব্দে গানবাজনা শোনা যেত।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খিলক্ষেত, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির, ওসি মুহাম্মাদ সোহরাব আল হোসাইন, অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২টি বিলাসবহুল গাড়ি, মাসে ২০-২২টি পার্টি, ৫-৬ হাজার টাকা বুকিং ফি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!