📌 গোপন কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) বিক্রির অভিযোগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার বিভাগ চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে সংগ্রহকৃত তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রি করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে
গোপন কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) এবং ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রির অভিযোগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার বিভাগ চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে ব্যক্তির কল ডিটেইল রেকর্ডসহ বিভিন্ন গোপন তথ্য সংগ্রহ করে বিক্রির অভিযোগে এদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪ জন পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার: ডেমরা, ওয়ারী ও তুরাগ থানার পুলিশ কনস্টেবল সাইমন হোসেন রাশেদ, মাসুম মিয়া, নিজাম উদ্দীন ও মো. জিহাদ মিয়া
- 📌 গোপন তথ্য বিক্রির অভিযোগ: সিডিআর, এনআইডি, কললিস্ট, লাস্ট কল লোকেশনসহ তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রি
- 📌 ভুয়া জিডি ব্যবহার: সরকারি ই-মেইল থেকে ১১টি মুঠোফোনের ৩ মাসের সিডিআর সংগ্রহের অভিযোগ
- 📌 মামলা দায়ের: ২৯ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন ও বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী মামলা
- 📌 রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ: ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগ তদন্ত করছে
📰 বিস্তারিত
২০২৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ডিবির সাইবার মনিটরিংয়ে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামে মুঠোফোনের সিডিআর বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। পরবর্তী অনুসন্ধানে সিডিআর বিক্রির টাকা নেওয়ার একটি বিকাশ নম্বরও উন্মোচিত হয়। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তুরাগ থানার পুলিশ কনস্টেবল মো. জিহাদ মিয়া সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে ভুয়া জিডির তথ্য দিয়ে ১১টি মুঠোফোনের তিন মাসের সিডিআর ও এনআইডি সংগ্রহ করেছিলেন। এতে ব্যবহৃত জিডি নম্বর ও এএসআইয়ের নাম থানায় নথিভুক্ত ছিল না। ডেমরা থানার পুলিশ কনস্টেবল সাইমন হোসেন রাশেদ ও মাসুম মিয়া একটি ভুয়া মামলা নম্বর ও এসআইয়ের নাম ব্যবহার করে চারটি মুঠোফোনের সিডিআর সংগ্রহের সাথে জড়িত ছিলেন। ওয়ারী থানার পুলিশ কনস্টেবল নিজাম উদ্দীন ডেমরা থানায় কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন সিডিআর বিক্রি করতেন। বদলি হওয়ার পরও ওয়ারী থানার সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে সিডিআর সংগ্রহের তথ্য পাওয়া গেছে।
হোয়াটসঅ্যাপে নিজাম উদ্দীনের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তিনি বিভিন্ন নম্বরের সিডিআর আদান-প্রদান এবং টাকা গ্রহণের তথ্য রাখতেন। গ্রামীণফোন জানিয়েছে, একটি সরকারি মুঠোফোন নম্বর থেকে তিনটি নম্বরের সিডিআর সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি অনুসন্ধানে নিয়ে এসেছে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগ।
"সিডিআরসহ বিভিন্ন গোপন তথ্য সংগ্রহ করে বিক্রির অভিযোগে চারজন পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর (ডেমরা, ওয়ারী, তুরাগ থানা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ কনস্টেবল সাইমন হোসেন রাশেদ, মাসুম মিয়া, নিজাম উদ্দীন, মো. জিহাদ মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন পুলিশ সদস্য, ১১টি মুঠোফোন নম্বর, ৩ মাসের সিডিআর, ২৯ সেপ্টেম্বর মামলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!