📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গোপন নাগরিক তথ্য বিক্রির অভিযোগে ৪ পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার: ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার বিভাগের তদন্ত

গোপন নাগরিক তথ্য বিক্রির অভিযোগে ৪ পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার: ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার বিভাগের তদন্ত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার বিভাগের তদন্তে জাতীয় পরিচয়পত্র, সিডিআর, কল ডিটেইলসহ নাগরিকদের গোপন তথ্য বিক্রির অভিযোগে ৪ পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে ভুয়া মামলা দেখিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও বিক্রির চক্রের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার বিভাগের তদন্তে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর), লাস্ট কল লোকেশনসহ নাগরিকদের গোপন তথ্য বিক্রির অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই অভিযোগে জড়িত চারজন পুলিশ সদস্যকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৪ পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার: ডেমরা ও ওয়ারী থানার কনস্টেবলসহ তুরাগ থানার সদস্যরা গোপন তথ্য বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার
  • 📌 সিডিআর, এনআইডি, কল ডিটেইলসহ নাগরিক তথ্য বিক্রির অভিযোগে মামলা দায়ের
  • 📌 গত ২৯ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় মামলা দায়ের; তদন্ত করছে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগ
  • 📌 ১১টি মুঠোফোন নম্বরের সিডিআর ও এনআইডি তথ্য চাওয়া হয়েছিল সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে
  • 📌 অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট-১৯২৩ ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন-২০০১-এর অধীনে মামলা

📰 বিস্তারিত

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম আজ বুধবার জানান, সিডিআরসহ নাগরিকের বিভিন্ন গোপন তথ্য সংগ্রহ করে বিক্রির অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে ডেমরা থানার কনস্টেবল সাইমন হোসেন রাশেদ ও মাসুম মিয়া, ওয়ারী থানার কনস্টেবল নিজাম উদ্দীন এবং তুরাগ থানার কনস্টেবল মো. জিহাদ মিয়া।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে ভুয়া মামলা ও সাধারণ ডায়েরির (জিডি) তথ্য দেখিয়ে সাধারণ মানুষের সিডিআর সংগ্রহ করা হত। এই তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রি করা হত। ডিবির সাইবার মনিটরিংয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রথমে ফেসবুকের একটি অ্যাকাউন্টে, হোয়াটসঅ্যাপের একটি অ্যাকাউন্টে এবং টেলিগ্রামের একটি গ্রুপে সিডিআর বিক্রির তথ্য নজরে আসে। পরে অনুসন্ধানে সিডিআর বিক্রির টাকা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত একটি বিকাশ নম্বরের তথ্য পাওয়া যায়।

তুরাগ থানার সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে ১১টি মুঠোফোন নম্বরের তিন মাসের সিডিআর ও এনআইডি তথ্য চাওয়া হয়েছিল। এ জন্য তুরাগ থানার একটি জিডি নম্বর এবং একজন সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) নাম ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে অনুসন্ধানে ওই নম্বরের কোনো জিডি থানায় নথিভুক্ত হয়নি বলে দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট এএসআইও এসব নম্বরের সিডিআর চাননি।

"সিডিআর, এনআইডি তথ্য, লাস্ট কল লোকেশনসহ বিভিন্ন গোপন তথ্য সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রি করত। এই চক্রের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর, তুরাগ, ডেমরা, ওয়ারী থানা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শফিকুল ইসলাম, আবিদুর রহমান, সাইমন হোসেন রাশেদ, মাসুম মিয়া, নিজাম উদ্দীন, মো. জিহাদ মিয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন পুলিশ সদস্য, ২৯ সেপ্টেম্বর, ১০ সেপ্টেম্বর, ১১টি মুঠোফোন নম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖