📌 রাজধানীর মিরপুরের এক পুলিশ কর্মকর্তা আত্মহত্যা করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উপপরিদর্শক মাহমুদুল হাসান (৪২) গলায় ফাঁস দেন। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্তের মধ্যে রয়েছে
রাজধানীর মিরপুর এলাকায় কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান (৪২) আত্মহত্যা করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মিরপুরের ১৩ নম্বর সেকশনে বাসা বানিয়ে থাকা এই কর্মকর্তার মরদেহ গত রোববার বিকেলে আলোক হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ঘটে কাফরুল থানার এলাকায়, যেখানে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাহমুদুল হাসান (৪২) নামের পুলিশ কর্মকর্তা মিরপুরের বাসায় আত্মহত্যা করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
- 📌 গলায় ফাঁস দিয়েছিলেন — পরিবারের সদস্যরা বাসায় ফিরে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
- 📌 ময়নাতদন্ত সম্পন্ন — আজ সোমবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষ হয়।
- 📌 কাফরুল ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি তদন্তের মধ্যে রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
কাফরুল থানার (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, গত রোববার বিকেলে মিরপুরের আলোক হাসপাতাল থেকে মাহমুদুল হাসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে রাজধানীর ভাষানটেক থানায় কর্মরত ছিলেন। মাহমুদুল হাসান মিরপুরের ১৩ নম্বর সেকশনে বাসা বানিয়ে থাকতেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধায়।
ওসি সাইফুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানা যায়, বাসায় কেউ না থাকা অবস্থায় মাহমুদুল হাসান গলায় ফাঁস দেন। পরিবারের সদস্যরা বাসায় ফিরে তাঁর ঝুলন্ত নিথর দেহ দেখতে পান। উদ্ধার করে আলোক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসপাতাল থেকে তাঁর লাশ পুলিশ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মাহমুদুল হাসানের মরদেহ রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
আজ সোমবার তাঁর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। পুলিশ বলছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
"বাসায় যখন কেউ ছিল না, তখন মাহমুদুল হাসান গলায় ফাঁস দেন। পরিবারের সদস্যরা বাসায় ফিরে তাঁর ঝুলন্ত নিথর দেহ দেখতে পান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, রাজধানী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপপরিদর্শক মাহমুদুল হাসান (৪২), ওসি সাইফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২ বছর বয়স, ১৩ নম্বর সেকশন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!